কোরবানির পশুতে ভরপুর বরিশালের হাটগুলো
- আপডেট সময় : ১২:৪৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
- / ১৫৫৯ বার পড়া হয়েছে
ঘনিয়ে আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা। জমে উঠতে শুরু করেছে বরিশালের বিভিন্ন পশুর হাট। তবে বাজারে পর্যাপ্ত দেশি গরু-ছাগলের সরবরাহ থাকলেও মানুষের হাতে টাকা সংকটের কারণে এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি বেচাকেনা। কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় বিক্রেতাদের মাঝে অসন্তোষ থাকলেও প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, স্থানীয় পশু দিয়েই শতভাগ চাহিদা পূরণ সম্ভব।
বরিশালের পশুর হাটগুলো এখন দেশি গরু আর ছাগলের সমারোহে কানায় কানায় পূর্ণ। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকার ও ক্রেতাদের উপস্থিতিতে হাটগুলোতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরলেও, বেচাকেনার গতি এখনো বেশ ধীর। খামারিদের দাবি, পশুখাদ্যের চড়া দামের কারণে উৎপাদন খরচ বাড়লেও হাটে এসে মিলছে না সেই অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত দাম।
অবশ্য ক্রেতাদের মুখে উল্টো সুর। অনেকেই বলছেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা সহনীয় ও নাগালের মধ্যেই রয়েছে।
এদিকে হাটে দালালের দৌরাত্ম্য, হাসিল ও পরিবহন জটিলতা এড়াতে এবার অনেক ক্রেতাই ঝুঁকছেন সরাসরি খামারের দিকে। কোরবানির আগ পর্যন্ত পশু রাখার বাড়তি ঝামেলা না থাকায় খামার থেকে বুকিং দিয়ে পশু কেনাকেই নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মনে করছেন অনেকে। তবে ঈদের বাকি আর মাত্র দুই দিন, তাই শেষ মুহূর্তে বড় ধরনের বেচাকেনার আশায় প্রহর গুনছেন ব্যবসায়ীরা।
বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর জানিয়েছে, বরিশাল বিভাগে এবার কোরবানির পশুর কোনো সংকট নেই। স্থানীয় পশুর মাধ্যমেই শতভাগ চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৬৭ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। হাটে অনৈতিকতা রোধ ও পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত তদারকি চলছে বলেও জানায় দপ্তরটি।
সব শঙ্কা কাটিয়ে শেষ মুহূর্তের কেনাবেচায় খামারি ও ক্রেতা—উভয় পক্ষই লাভবান হবেন, এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।























