০৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার মামলার রায় মঙ্গলবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:০৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ সিদ্ধান্ত দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মামলার সাত আসামি

মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

এ ছাড়া ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানও এ মামলার আসামি। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

২৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

এর আগে গত ১৭ আগস্ট মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এরপর রায় ঘোষণার জন্য মামলাটি অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২।

গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এর আগে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

যে অভিযোগে বিচার

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আসামিরা বিভিন্ন বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা ও কঠোর দমন-পীড়নে ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণেও তাদের ভূমিকার অভিযোগ রয়েছে।

প্রসিকিউশনের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব কর্মকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আগামীকাল মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর রায়ের মধ্য দিয়ে বহুল আলোচিত এ মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শেষ হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ নেতার মামলার রায় মঙ্গলবার

আপডেট সময় : ১২:০৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ সিদ্ধান্ত দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মামলার সাত আসামি

মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

এ ছাড়া ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানও এ মামলার আসামি। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

২৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ

এর আগে গত ১৭ আগস্ট মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়। এরপর রায় ঘোষণার জন্য মামলাটি অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২।

গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এর আগে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

যে অভিযোগে বিচার

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আসামিরা বিভিন্ন বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা ও কঠোর দমন-পীড়নে ভূমিকা রাখেন। পাশাপাশি গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণেও তাদের ভূমিকার অভিযোগ রয়েছে।

প্রসিকিউশনের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এসব কর্মকাণ্ড মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আগামীকাল মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর রায়ের মধ্য দিয়ে বহুল আলোচিত এ মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শেষ হবে।