০৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এক মাস পর গাড়ি-চালক আটক, পুলিশের তৎপরতায় ক্ষুব্ধ মেঘলা মুক্তা

বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৬২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সড়ক দুর্ঘটনার প্রায় এক মাস পর গাড়ি ও চালককে আটক করেছে বনানী থানা-পুলিশ। ওই গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন মডেল ও অভিনেত্রী মেঘলা মুক্তা। তবে পুলিশের এই তৎপরতায় সন্তুষ্ট নন তিনি। বরং গাড়ি ও চালক আটকের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মেঘলা।

গত ২৮ জুলাই রাতে ঢাকার বনানীতে দুর্ঘটনাটি ঘটে। রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি গাড়ি মেঘলা মুক্তাকে ধাক্কা দেয়। এরপর চালক গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পরে পথচারী ও স্থানীয়রা মেঘলাকে উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই রাতেই বনানী থানায় অভিযোগ করেন অভিনেতা ও মেঘলার বন্ধু ইমতিয়াজ বর্ষণ।

গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে মেঘলা

দুর্ঘটনায় মেঘলার মুখ ও মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর প্রায় এক মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এর মধ্যে কিছু সময় আইসিইউতেও থাকতে হয়েছে তাকে।

মেঘলার মুখে একাধিক অস্ত্রোপচার করা হয়। সম্প্রতি চিকিৎসা শেষে তিনি বাসায় ফিরেছেন।

এদিকে দুর্ঘটনার পর পুলিশের কার্যকর তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে গত ১ সেপ্টেম্বর মেঘলার বাবা বনানী থানায় নতুন করে মামলা করেন।

এর দুই দিন পর, ৩ সেপ্টেম্বর রাতে গাড়ি ও চালক আটকের কথা পরিবারকে জানায় পুলিশ। তবে পরদিন সকালেই গাড়িটি আদালতে চালান করা হয়।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন মেঘলার

এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মেঘলা মুক্তা। তার দাবি, দুর্ঘটনার পর থেকেই গাড়িটির নম্বর পুলিশের জানা ছিল। তাহলে এক মাস ধরে কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

মেঘলা আরও জানতে চান, নতুন করে মামলা করার পর এত দ্রুত গাড়ি ও চালককে আটক করা হলো কেন। একই সঙ্গে আটকের পরদিনই গাড়িটি আদালতে পাঠানোর কারণও জানতে চান তিনি।

এ ছাড়া গাড়িটির মালিক কে, সেটিও জানতে চেয়েছেন অভিনেত্রী। বনানী থানার তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে গাড়ির মালিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের কোনো যোগাযোগ ছিল কি না, সে বিষয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছেন তিনি।

মেঘলা বলেন, তিনি কাউকে সরাসরি অভিযুক্ত করছেন না। তবে একজন ভুক্তভোগী হিসেবে এসব প্রশ্নের উত্তর জানার অধিকার তার রয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মেঘলার এই প্রশ্ন এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনায় এসেছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

এক মাস পর গাড়ি-চালক আটক, পুলিশের তৎপরতায় ক্ষুব্ধ মেঘলা মুক্তা

আপডেট সময় : ০১:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সড়ক দুর্ঘটনার প্রায় এক মাস পর গাড়ি ও চালককে আটক করেছে বনানী থানা-পুলিশ। ওই গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন মডেল ও অভিনেত্রী মেঘলা মুক্তা। তবে পুলিশের এই তৎপরতায় সন্তুষ্ট নন তিনি। বরং গাড়ি ও চালক আটকের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মেঘলা।

গত ২৮ জুলাই রাতে ঢাকার বনানীতে দুর্ঘটনাটি ঘটে। রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি গাড়ি মেঘলা মুক্তাকে ধাক্কা দেয়। এরপর চালক গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পরে পথচারী ও স্থানীয়রা মেঘলাকে উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই রাতেই বনানী থানায় অভিযোগ করেন অভিনেতা ও মেঘলার বন্ধু ইমতিয়াজ বর্ষণ।

গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে মেঘলা

দুর্ঘটনায় মেঘলার মুখ ও মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর প্রায় এক মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এর মধ্যে কিছু সময় আইসিইউতেও থাকতে হয়েছে তাকে।

মেঘলার মুখে একাধিক অস্ত্রোপচার করা হয়। সম্প্রতি চিকিৎসা শেষে তিনি বাসায় ফিরেছেন।

এদিকে দুর্ঘটনার পর পুলিশের কার্যকর তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে গত ১ সেপ্টেম্বর মেঘলার বাবা বনানী থানায় নতুন করে মামলা করেন।

এর দুই দিন পর, ৩ সেপ্টেম্বর রাতে গাড়ি ও চালক আটকের কথা পরিবারকে জানায় পুলিশ। তবে পরদিন সকালেই গাড়িটি আদালতে চালান করা হয়।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন মেঘলার

এই ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মেঘলা মুক্তা। তার দাবি, দুর্ঘটনার পর থেকেই গাড়িটির নম্বর পুলিশের জানা ছিল। তাহলে এক মাস ধরে কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

মেঘলা আরও জানতে চান, নতুন করে মামলা করার পর এত দ্রুত গাড়ি ও চালককে আটক করা হলো কেন। একই সঙ্গে আটকের পরদিনই গাড়িটি আদালতে পাঠানোর কারণও জানতে চান তিনি।

এ ছাড়া গাড়িটির মালিক কে, সেটিও জানতে চেয়েছেন অভিনেত্রী। বনানী থানার তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে গাড়ির মালিক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের কোনো যোগাযোগ ছিল কি না, সে বিষয়েও ব্যাখ্যা চেয়েছেন তিনি।

মেঘলা বলেন, তিনি কাউকে সরাসরি অভিযুক্ত করছেন না। তবে একজন ভুক্তভোগী হিসেবে এসব প্রশ্নের উত্তর জানার অধিকার তার রয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মেঘলার এই প্রশ্ন এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনায় এসেছে।