‘এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে শিল্পে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে’
- আপডেট সময় : ১২:৫৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৫৪ বার পড়া হয়েছে
দেশের চলমান গ্যাস সংকট শিগগিরই কেটে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে শিল্পকারখানাগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব
রিজভী বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। গত ছয় মাসে সারাদেশে সরকার তিন কোটি বৃক্ষ রোপণ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই পরিবেশ রক্ষা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। নদী, খাল, বিলসহ দেশের সব জলাধারকে দূষণমুক্ত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
শিগগিরই কাটবে গ্যাস সংকট
দেশের চলমান জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, এই সংকট শুধু সরকারের কারণে তৈরি হয়নি। এর পেছনে বৈশ্বিক বিভিন্ন কারণ রয়েছে। তবে সংকট মোকাবিলায় সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
তিনি বলেন, মহেশখালীর গ্যাস টার্মিনালের পরিস্থিতি ইতোমধ্যে অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে। ফলে শিগগিরই দেশের গ্যাস সংকটও কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিজভীর দাবি, আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে মিল-কারখানাগুলোর জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। এতে শিল্প উৎপাদন ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বিদ্যমান সংকট ধীরে ধীরে কমবে।
এলএনজি আমদানিতে ৪০ হাজার কোটি টাকা
রিজভী জানান, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার জন্য সরকার ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার অর্থ বরাদ্দসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হতে দেওয়া হবে না। বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া সংকট মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়েও বক্তব্য
এ সময় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন রিজভী। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশে বিরোধী দল তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করবে এবং সরকার তার দায়িত্ব পালন করবে। জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।


























