১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪

উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় ঈদ কাটালেন জিম্মি নাবিকদের স্বজনরা

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:২৮:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪
  • / ১৫৮৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় ঈদ কাটালেন সোমালীয় জলদস্যুদের হাতে আটক বাংলাদেশী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর জিম্মি নাবিকদের স্বজনরা। ঈদের আগেই নাবিকরা ফিরবেন- মালিক পক্ষ ও সরকারের এমন আশ্বাসের প্রতিফলন না হওয়ায়, ক্ষোভ বাড়ছে তাদের। তবে শঙ্কার মধ্যে ঈদের দিন দস্যুদের সঙ্গে জাহাজে নামাজ আদায়ের ছবি ও এক নাবিকের অডিও বার্তায় কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে অসহায় পরিবারগুলো।

জাহাজ নিয়ে এ-বন্দর ও-বন্দর ঘুরতে ঘুরতেই দিন কাটে নাবিকদের। সাগরের উত্তাল জলরাসিতেই সহকর্মীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে হয় ঈদের আনন্দ।
এরপরও কেউ কেউ ছুটি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটাতে দেশে আসেন। বাকিরা ভিডিও কলে কিংবা স্যাটেলাইট টেলিফোনে স্বজনদের সঙ্গে আবেগ অনুভুতি শেয়ার করেই খুঁজে পান ঈদের আনন্দ।
সোমালিয় জলদস্যুদের হাতে জিম্মি নাবিকদের এবার ঈদ কাটানোর কথা ছিল সাগরে। তবে কেউ কেউ পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটাতে আসার কথা ছিল। কিন্তু ১২ মার্চ জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়ার পর সবকিছুই অনিশ্চিত হয়ে যায়।
জিম্মি নাবিকরা এখনও শস্ত্র জলদস্যুদের কড়া পাহারায় ভাসছে সোমালীয় উপকূলে। ঈদকে ঘিরে কিছুটা নমনীয় ছিল দস্যুরাও। নাবিকদের অনুরোধে জাহাজের ডেকে একসঙ্গে ঈদের নামাজ পড়েছে তারা। তারপর সমবেত ছবি তুলে পাঠিয়েছে পরিবারের কাছে। জিএফএক্স-১ অডিও বার্তায় নিজেদের বর্তমান অবস্থার কথা জানিয়ে পরিবার ও দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন এক জিম্মি নাবিক।
প্রিয় মানুষগুলো দস্যুদের জিম্মায় রেখে নাবিক পরিবারের সদস্যদের দিন কাটছে চরম উৎকন্ঠায়। এবারের ঈদ ছিলো তাঁদের কাছে আনন্দ-উল্লাসহীন।
ছিনতাইয়ের কবলে পরার ক’দিন পর জাহাজ মালিক ও সরকারের পক্ষ থেকে ঈদের আগেই নাবিকদের উদ্ধার করার অশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এমনকি জিম্মি উদ্ধারে কোন অগ্রগতির খবরও জানায়নি জাহাজটির মালিক পক্ষ কেএসআরএম গ্রুপ।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় ঈদ কাটালেন জিম্মি নাবিকদের স্বজনরা

আপডেট সময় : ০১:২৮:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪

উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় ঈদ কাটালেন সোমালীয় জলদস্যুদের হাতে আটক বাংলাদেশী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহর জিম্মি নাবিকদের স্বজনরা। ঈদের আগেই নাবিকরা ফিরবেন- মালিক পক্ষ ও সরকারের এমন আশ্বাসের প্রতিফলন না হওয়ায়, ক্ষোভ বাড়ছে তাদের। তবে শঙ্কার মধ্যে ঈদের দিন দস্যুদের সঙ্গে জাহাজে নামাজ আদায়ের ছবি ও এক নাবিকের অডিও বার্তায় কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে অসহায় পরিবারগুলো।

জাহাজ নিয়ে এ-বন্দর ও-বন্দর ঘুরতে ঘুরতেই দিন কাটে নাবিকদের। সাগরের উত্তাল জলরাসিতেই সহকর্মীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে হয় ঈদের আনন্দ।
এরপরও কেউ কেউ ছুটি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটাতে দেশে আসেন। বাকিরা ভিডিও কলে কিংবা স্যাটেলাইট টেলিফোনে স্বজনদের সঙ্গে আবেগ অনুভুতি শেয়ার করেই খুঁজে পান ঈদের আনন্দ।
সোমালিয় জলদস্যুদের হাতে জিম্মি নাবিকদের এবার ঈদ কাটানোর কথা ছিল সাগরে। তবে কেউ কেউ পরিবারের সঙ্গে ঈদ কাটাতে আসার কথা ছিল। কিন্তু ১২ মার্চ জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়ার পর সবকিছুই অনিশ্চিত হয়ে যায়।
জিম্মি নাবিকরা এখনও শস্ত্র জলদস্যুদের কড়া পাহারায় ভাসছে সোমালীয় উপকূলে। ঈদকে ঘিরে কিছুটা নমনীয় ছিল দস্যুরাও। নাবিকদের অনুরোধে জাহাজের ডেকে একসঙ্গে ঈদের নামাজ পড়েছে তারা। তারপর সমবেত ছবি তুলে পাঠিয়েছে পরিবারের কাছে। জিএফএক্স-১ অডিও বার্তায় নিজেদের বর্তমান অবস্থার কথা জানিয়ে পরিবার ও দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন এক জিম্মি নাবিক।
প্রিয় মানুষগুলো দস্যুদের জিম্মায় রেখে নাবিক পরিবারের সদস্যদের দিন কাটছে চরম উৎকন্ঠায়। এবারের ঈদ ছিলো তাঁদের কাছে আনন্দ-উল্লাসহীন।
ছিনতাইয়ের কবলে পরার ক’দিন পর জাহাজ মালিক ও সরকারের পক্ষ থেকে ঈদের আগেই নাবিকদের উদ্ধার করার অশ্বাস দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এমনকি জিম্মি উদ্ধারে কোন অগ্রগতির খবরও জানায়নি জাহাজটির মালিক পক্ষ কেএসআরএম গ্রুপ।