০৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

আখাউড়ায় কমতে শুরু করেছে ঢলের পানি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানি কমতে শুরু করেছে। এতে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামছে। ফলে উপজেলার সার্বিক পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। পানি কমায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকদের মধ্যে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত হাওড়া নদীর পানি বিপৎসীমার ১৭৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এর পাশাপাশি কালন্দি খালের পানিও কমেছে। ফলে কয়েকটি এলাকায় জমে থাকা পানি ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে।

প্রায় ২৫০ হেক্টর ফসলি জমি প্লাবিত

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে আখাউড়ায় ৪ হাজার ১২ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হচ্ছে। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে এসব জমিতে আমনের চারা রোপণ করা হয়।

এর মধ্যে উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে দক্ষিণ ইউনিয়ন ও মোগড়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের প্রায় ২৫০ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে যায়। এতে কৃষকদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে পানি দ্রুত কমতে থাকায় পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, জমিতে পানি দীর্ঘ সময় জমে না থাকলে আমনের ক্ষতির আশঙ্কা কম। বর্তমানে পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় বড় ধরনের ফসলহানির আশঙ্কা নেই।

আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘পানি কমতে শুরু করেছে। তাই ফসলি জমিতে তেমন ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই।’

মৎস্য খাতে ক্ষতি হয়নি

পানি বাড়লেও উপজেলার মৎস্য খাতে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। প্লাবিত এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনও নজরদারি করছে।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া জানান, পানি বাড়ার কারণে কিছু ফসলি জমি তলিয়ে গেলেও মৎস্য খাতে কোনো ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে পানি কমছে।

তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। পানিবন্দি পরিবারগুলোকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, উজানের ঢলে হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের মানুষ কিছুটা দুর্ভোগে পড়েন। বিশেষ করে ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়। তবে পানি দ্রুত কমতে থাকায় সেই শঙ্কা অনেকটাই কেটে গেছে।

প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। পানি আরও কমলে প্লাবিত এলাকার স্বাভাবিক কার্যক্রম পুরোপুরি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আখাউড়ায় কমতে শুরু করেছে ঢলের পানি

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানি কমতে শুরু করেছে। এতে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামছে। ফলে উপজেলার সার্বিক পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। পানি কমায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় বাসিন্দা ও কৃষকদের মধ্যে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত হাওড়া নদীর পানি বিপৎসীমার ১৭৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এর পাশাপাশি কালন্দি খালের পানিও কমেছে। ফলে কয়েকটি এলাকায় জমে থাকা পানি ধীরে ধীরে নেমে যাচ্ছে।

প্রায় ২৫০ হেক্টর ফসলি জমি প্লাবিত

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে আখাউড়ায় ৪ হাজার ১২ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হচ্ছে। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে এসব জমিতে আমনের চারা রোপণ করা হয়।

এর মধ্যে উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে দক্ষিণ ইউনিয়ন ও মোগড়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের প্রায় ২৫০ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে যায়। এতে কৃষকদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দেয়। তবে পানি দ্রুত কমতে থাকায় পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, জমিতে পানি দীর্ঘ সময় জমে না থাকলে আমনের ক্ষতির আশঙ্কা কম। বর্তমানে পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় বড় ধরনের ফসলহানির আশঙ্কা নেই।

আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘পানি কমতে শুরু করেছে। তাই ফসলি জমিতে তেমন ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই।’

মৎস্য খাতে ক্ষতি হয়নি

পানি বাড়লেও উপজেলার মৎস্য খাতে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। প্লাবিত এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনও নজরদারি করছে।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া জানান, পানি বাড়ার কারণে কিছু ফসলি জমি তলিয়ে গেলেও মৎস্য খাতে কোনো ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে পানি কমছে।

তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে। পানিবন্দি পরিবারগুলোকেও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, উজানের ঢলে হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের মানুষ কিছুটা দুর্ভোগে পড়েন। বিশেষ করে ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়। তবে পানি দ্রুত কমতে থাকায় সেই শঙ্কা অনেকটাই কেটে গেছে।

প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। পানি আরও কমলে প্লাবিত এলাকার স্বাভাবিক কার্যক্রম পুরোপুরি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।