০৪:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

অর্ধেকের বেশি ভোট গণনা শেষ, ইসরায়েলে এগিয়ে নেতানিয়াহুর জোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৭২ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে অর্ধেকের বেশি ভোট গণনা শেষে এগিয়ে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট। প্রাথমিক বুথফেরত জরিপে পিছিয়ে থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও আংশিক ফলাফলে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিচ্ছে তাঁর শিবির। সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর জোট ৫৫ থেকে ৫৬টি আসন পেতে পারে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে জোটটিকে আরও সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির তথ্যের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত প্রায় ২৮ লাখ ভোট গণনা করা হয়েছে। এটি মোট ভোটের প্রায় ৫৬ শতাংশ।

ভোটের হিসাবে এগিয়ে লিকুদ পার্টি

আংশিক ভোট গণনায় নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ২০ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে গাদি আইজেনকটের ইয়াশার পার্টি। দলটি পেয়েছে ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে নাফতালি বেনেটের নেতৃত্বাধীন ‘টুগেদার’ জোট পেয়েছে ৯ শতাংশ ভোট।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আংশিক ফলাফলে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ৫৫টি আসন পেতে পারে। বিরোধী জোটের আসনসংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৪৯টিতে। এ ছাড়া আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো সম্মিলিতভাবে ১৬টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

শুরুর দিকের বুথফেরত জরিপে নেতানিয়াহুর কট্টর ডানপন্থি জোটের ফল আশানুরূপ না হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। তবে ভোট গণনা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। পরবর্তী পূর্বাভাসে তাঁর জোটের আসনসংখ্যা ৫৬ পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

সরকার গঠনে ছোট দলগুলোর সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের মোট আসনসংখ্যা ১২০। সরকার গঠনের জন্য কোনো দল বা জোটকে অন্তত ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে হয়। সে হিসাবে আংশিক ফলাফলে এগিয়ে থাকলেও নেতানিয়াহুর জোটকে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে আরও সমর্থন জোগাড় করতে হবে।

এ পরিস্থিতিতে ছোট দলগুলোর অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নির্বাচনের ফল চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রধান রাজনৈতিক শিবিরগুলো অন্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারে।

আরব নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড আরব লিস্ট বা রা’আম পার্টির নেতা মানসুর আব্বাস জানিয়েছেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ থেকে তাঁর দলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গাদি আইজেনকটের শিবিরের পাশাপাশি নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির পক্ষ থেকেও যোগাযোগ করা হয়েছে।

বর্তমানে নেসেটে রা’আম পার্টির পাঁচটি আসন রয়েছে। ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলে ক্ষমতায় থাকা জোট সরকারেও দলটি অংশ নিয়েছিল। আব্বাস জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে ও পরে—দুই সময়েই প্রধান রাজনৈতিক শিবিরগুলো তাঁর দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

তবে আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের বিষয়ে নেতানিয়াহুর অবস্থান রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল করতে পারে। ফলে শেষ পর্যন্ত কোন দল বা জোট সরকার গঠন করবে, তা নির্ভর করবে চূড়ান্ত ফলাফল এবং পরবর্তী রাজনৈতিক আলোচনার ওপর।

ভোটার উপস্থিতিতে রেকর্ড

এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবারের নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশ। ১৯৯৯ সালের পর দেশটিতে এটিই সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২২ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে ৭ দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্ট। নির্বাচনে এই ব্যাপক অংশগ্রহণ দেশটির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার গুরুত্ব তুলে ধরছে।

ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২১ শতাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিক। ঐতিহাসিকভাবে ইহুদি ইসরায়েলিদের তুলনায় তাঁদের ভোট দেওয়ার হার কম থাকে। এবারের নির্বাচনে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সম্ভাব্য আসনসংখ্যা এবং সরকার গঠনের আলোচনায় তাদের ভূমিকা তাই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

চূড়ান্ত ফলের অপেক্ষা

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ১০টায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর গণনা শুরু হয়। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, ভোট গ্রহণ শেষ হয় বুধবার রাত ২টায়।

আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আরও ফল প্রকাশের অপেক্ষা করা হচ্ছে। তবে আংশিক ফলাফল এবং বুথফেরত জরিপকে চূড়ান্ত ফল হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। ভোট গণনা শেষ হওয়ার পরই আসন বণ্টনের প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করা হতে পারে।

সব মিলিয়ে, ভোট গণনায় এগিয়ে থাকলেও নেতানিয়াহুর সামনে সরকার গঠনের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে তাঁকে অন্য দলগুলোর সমর্থন পেতে হবে। শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলে নতুন সরকার গঠনের সমীকরণ কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

অর্ধেকের বেশি ভোট গণনা শেষ, ইসরায়েলে এগিয়ে নেতানিয়াহুর জোট

আপডেট সময় : ০২:০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনে অর্ধেকের বেশি ভোট গণনা শেষে এগিয়ে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট। প্রাথমিক বুথফেরত জরিপে পিছিয়ে থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও আংশিক ফলাফলে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিচ্ছে তাঁর শিবির। সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর জোট ৫৫ থেকে ৫৬টি আসন পেতে পারে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে জোটটিকে আরও সমর্থন নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির তথ্যের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত প্রায় ২৮ লাখ ভোট গণনা করা হয়েছে। এটি মোট ভোটের প্রায় ৫৬ শতাংশ।

ভোটের হিসাবে এগিয়ে লিকুদ পার্টি

আংশিক ভোট গণনায় নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ২০ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে গাদি আইজেনকটের ইয়াশার পার্টি। দলটি পেয়েছে ১৬ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে নাফতালি বেনেটের নেতৃত্বাধীন ‘টুগেদার’ জোট পেয়েছে ৯ শতাংশ ভোট।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আংশিক ফলাফলে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ৫৫টি আসন পেতে পারে। বিরোধী জোটের আসনসংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৪৯টিতে। এ ছাড়া আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো সম্মিলিতভাবে ১৬টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

শুরুর দিকের বুথফেরত জরিপে নেতানিয়াহুর কট্টর ডানপন্থি জোটের ফল আশানুরূপ না হওয়ার ইঙ্গিত মিলেছিল। তবে ভোট গণনা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। পরবর্তী পূর্বাভাসে তাঁর জোটের আসনসংখ্যা ৫৬ পর্যন্ত পৌঁছানোর সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।

সরকার গঠনে ছোট দলগুলোর সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটের মোট আসনসংখ্যা ১২০। সরকার গঠনের জন্য কোনো দল বা জোটকে অন্তত ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে হয়। সে হিসাবে আংশিক ফলাফলে এগিয়ে থাকলেও নেতানিয়াহুর জোটকে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে আরও সমর্থন জোগাড় করতে হবে।

এ পরিস্থিতিতে ছোট দলগুলোর অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নির্বাচনের ফল চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রধান রাজনৈতিক শিবিরগুলো অন্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সরকার গঠনের চেষ্টা করতে পারে।

আরব নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড আরব লিস্ট বা রা’আম পার্টির নেতা মানসুর আব্বাস জানিয়েছেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ থেকে তাঁর দলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গাদি আইজেনকটের শিবিরের পাশাপাশি নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির পক্ষ থেকেও যোগাযোগ করা হয়েছে।

বর্তমানে নেসেটে রা’আম পার্টির পাঁচটি আসন রয়েছে। ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলে ক্ষমতায় থাকা জোট সরকারেও দলটি অংশ নিয়েছিল। আব্বাস জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে ও পরে—দুই সময়েই প্রধান রাজনৈতিক শিবিরগুলো তাঁর দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

তবে আরব দলগুলোর সমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের বিষয়ে নেতানিয়াহুর অবস্থান রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও জটিল করতে পারে। ফলে শেষ পর্যন্ত কোন দল বা জোট সরকার গঠন করবে, তা নির্ভর করবে চূড়ান্ত ফলাফল এবং পরবর্তী রাজনৈতিক আলোচনার ওপর।

ভোটার উপস্থিতিতে রেকর্ড

এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবারের নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশ। ১৯৯৯ সালের পর দেশটিতে এটিই সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২২ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে ৭ দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্ট। নির্বাচনে এই ব্যাপক অংশগ্রহণ দেশটির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার গুরুত্ব তুলে ধরছে।

ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২১ শতাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিক। ঐতিহাসিকভাবে ইহুদি ইসরায়েলিদের তুলনায় তাঁদের ভোট দেওয়ার হার কম থাকে। এবারের নির্বাচনে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সম্ভাব্য আসনসংখ্যা এবং সরকার গঠনের আলোচনায় তাদের ভূমিকা তাই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

চূড়ান্ত ফলের অপেক্ষা

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ১০টায় ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর গণনা শুরু হয়। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, ভোট গ্রহণ শেষ হয় বুধবার রাত ২টায়।

আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আরও ফল প্রকাশের অপেক্ষা করা হচ্ছে। তবে আংশিক ফলাফল এবং বুথফেরত জরিপকে চূড়ান্ত ফল হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। ভোট গণনা শেষ হওয়ার পরই আসন বণ্টনের প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করা হতে পারে।

সব মিলিয়ে, ভোট গণনায় এগিয়ে থাকলেও নেতানিয়াহুর সামনে সরকার গঠনের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে তাঁকে অন্য দলগুলোর সমর্থন পেতে হবে। শেষ পর্যন্ত ইসরায়েলে নতুন সরকার গঠনের সমীকরণ কোন দিকে যায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।