০৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

বিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন করেছিল আ. লীগ: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:৩৮:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৪৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম ও লুটপাটের সুযোগ তৈরি করতেই বিগত আওয়ামী লীগ সরকার দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি খাত ও প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো খাতই জবাবদিহির বাইরে থাকতে পারে না।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক গণসংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও ক্যাব যুব সংসদ যৌথভাবে ‘রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও শৈলকুপা পৌরসভা এলাকায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সম্ভাব্যতা যাচাই ও লাইফলাইন গ্রাহক সমীক্ষা: ফলাফল ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এ গণসংলাপের আয়োজন করে।

বিদ্যুৎ খাতে জবাবদিহি নিশ্চিত করার তাগিদ

রুহুল কবির রিজভী বলেন, সরকারের প্রতিটি কাজের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকতে হবে। বিদ্যুৎ খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে অতীতে যেসব অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে প্রকল্পের অর্থ ব্যয়, পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় রাখতে হবে।

রিজভীর মতে, জবাবদিহি নিশ্চিত করা গেলে সরকারি অর্থের অপচয় কমানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো সহজ হবে।

বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিসংখ্যান দিয়ে দারিদ্র্য নির্ধারণে সতর্কতা

দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কথা বলা হলেও বাস্তব পরিস্থিতি আরও গভীরভাবে পর্যালোচনা করা দরকার বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চল ও চরাঞ্চলের অনেক মানুষ এখনো বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আবার দরিদ্র পরিবারের অনেকেই অন্য পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন।

এ কারণে শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ বিবেচনা করে হতদরিদ্র মানুষের প্রকৃত আর্থসামাজিক অবস্থা নির্ধারণ করা কঠিন।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দারিদ্র্য নিরূপণের ক্ষেত্রে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে। এ বিষয়ে গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গবেষণার মাধ্যমে নতুন ধারণা ও প্রশ্ন সামনে আসা প্রয়োজন। পাশাপাশি কোনো পরিসংখ্যানকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে গ্রহণ না করে তা যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে।

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে রিজভী বলেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এ খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা গেলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে এই সম্ভাবনা কাজে লাগানো গেলে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

রিজভীর মতে, বাসাবাড়ি, বাণিজ্যিক ভবন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে নিজস্ব চাহিদা পূরণের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হলে তা সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করবে।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎসের ওপর গুরুত্ব

বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে বলে উল্লেখ করেন রুহুল কবির রিজভী। তবে এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। এতে সংকটের চাপ কমানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে রিজভী বলেন, হতাশ হওয়ার কিছু নেই। যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গণসংলাপে উপস্থিত ছিলেন যারা

ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে গণসংলাপে সংস্থাটির জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম. শামসুল আলমসহ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা, বিদ্যুৎ ব্যবহারের বাস্তব চিত্র এবং বিদ্যুৎ খাতে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিচালিত গবেষণার ফলাফল উপস্থাপনের পাশাপাশি তা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।

গণসংলাপে উঠে আসা আলোচনার মূল বিষয় ছিল বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সাধারণ গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিদ্যুৎখাতে লুটপাট করতেই দায়মুক্তি আইন করেছিল আ. লীগ: রিজভী

আপডেট সময় : ০২:৩৮:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম ও লুটপাটের সুযোগ তৈরি করতেই বিগত আওয়ামী লীগ সরকার দায়মুক্তি আইন পাস করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে রাষ্ট্রের প্রতিটি খাত ও প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো খাতই জবাবদিহির বাইরে থাকতে পারে না।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক গণসংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও ক্যাব যুব সংসদ যৌথভাবে ‘রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও শৈলকুপা পৌরসভা এলাকায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সম্ভাব্যতা যাচাই ও লাইফলাইন গ্রাহক সমীক্ষা: ফলাফল ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এ গণসংলাপের আয়োজন করে।

বিদ্যুৎ খাতে জবাবদিহি নিশ্চিত করার তাগিদ

রুহুল কবির রিজভী বলেন, সরকারের প্রতিটি কাজের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি থাকতে হবে। বিদ্যুৎ খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে অতীতে যেসব অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে, সেগুলোর পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, কোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে প্রকল্পের অর্থ ব্যয়, পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় রাখতে হবে।

রিজভীর মতে, জবাবদিহি নিশ্চিত করা গেলে সরকারি অর্থের অপচয় কমানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো সহজ হবে।

বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিসংখ্যান দিয়ে দারিদ্র্য নির্ধারণে সতর্কতা

দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কথা বলা হলেও বাস্তব পরিস্থিতি আরও গভীরভাবে পর্যালোচনা করা দরকার বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চল ও চরাঞ্চলের অনেক মানুষ এখনো বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আবার দরিদ্র পরিবারের অনেকেই অন্য পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করে বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন।

এ কারণে শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ বিবেচনা করে হতদরিদ্র মানুষের প্রকৃত আর্থসামাজিক অবস্থা নির্ধারণ করা কঠিন।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দারিদ্র্য নিরূপণের ক্ষেত্রে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে হবে। এ বিষয়ে গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গবেষণার মাধ্যমে নতুন ধারণা ও প্রশ্ন সামনে আসা প্রয়োজন। পাশাপাশি কোনো পরিসংখ্যানকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে গ্রহণ না করে তা যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে।

ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে রিজভী বলেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এ খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা গেলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ রয়েছে। পরিকল্পিতভাবে এই সম্ভাবনা কাজে লাগানো গেলে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

রিজভীর মতে, বাসাবাড়ি, বাণিজ্যিক ভবন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে নিজস্ব চাহিদা পূরণের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হলে তা সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করবে।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎসের ওপর গুরুত্ব

বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ছে বলে উল্লেখ করেন রুহুল কবির রিজভী। তবে এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। এতে সংকটের চাপ কমানোর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে রিজভী বলেন, হতাশ হওয়ার কিছু নেই। যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গণসংলাপে উপস্থিত ছিলেন যারা

ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে গণসংলাপে সংস্থাটির জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক এম. শামসুল আলমসহ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা, বিদ্যুৎ ব্যবহারের বাস্তব চিত্র এবং বিদ্যুৎ খাতে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিচালিত গবেষণার ফলাফল উপস্থাপনের পাশাপাশি তা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।

গণসংলাপে উঠে আসা আলোচনার মূল বিষয় ছিল বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সাধারণ গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা।