০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

অন্ধ্রপ্রদেশে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবের’ আঘাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৪৪ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের পূর্ব উপকূলে আঘাত হেনেছে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। বুধবার (২৮ অক্টোবর) মধ্যরাতে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানা ঝড়টির প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত ও প্রবল ঝোড়ো হাওয়া শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২ হাজার ১৯৯টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। অন্যদিকে, এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাত ২টা থেকে ৪টার মধ্যে ঝড়টির অগ্রভাগ নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দ্রুতগতিতে স্থলভাগে প্রবেশ করে।

ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা

ভারতের আবহাওয়া বিভাগের (আইএমডি) পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টির মূল অংশ অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থলভাগে প্রবেশের এ প্রক্রিয়া কয়েক ঘণ্টা ধরে চলতে পারে। এর ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে মুষলধারে বৃষ্টি ও প্রবল বাতাসের প্রভাব অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

বিমান চলাচলে বিঘ্নের শঙ্কা

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং ওড়িশার ভুবনেশ্বরসহ দক্ষিণাঞ্চলে বিমান চলাচল ব্যাহত হতে পারে। ঝড়ের গতিপথ ও আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে হায়দরাবাদ, বারাণসী, প্রয়াগরাজ ও গোরখপুরেও ফ্লাইট চলাচলে বিলম্ব হতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের কাছ থেকে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

২ হাজার ১৯৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আগেই সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেয় অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু জানিয়েছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় রাজ্যজুড়ে ২ হাজার ১৯৯টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুর্যোগ চলাকালে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশও দিয়েছে প্রশাসন।

উপকূলীয় এলাকায় সতর্কতা

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাত, প্রবল বাতাস এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি থাকায় উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নিচু এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ, বাতাসের তীব্রতা এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণের ওপর নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

অন্ধ্রপ্রদেশে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবের’ আঘাত

আপডেট সময় : ০২:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের পূর্ব উপকূলে আঘাত হেনেছে অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। বুধবার (২৮ অক্টোবর) মধ্যরাতে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানা ঝড়টির প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত ও প্রবল ঝোড়ো হাওয়া শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২ হাজার ১৯৯টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। অন্যদিকে, এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাত ২টা থেকে ৪টার মধ্যে ঝড়টির অগ্রভাগ নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দ্রুতগতিতে স্থলভাগে প্রবেশ করে।

ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা

ভারতের আবহাওয়া বিভাগের (আইএমডি) পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়টির মূল অংশ অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকা অতিক্রম করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থলভাগে প্রবেশের এ প্রক্রিয়া কয়েক ঘণ্টা ধরে চলতে পারে। এর ফলে উপকূলীয় অঞ্চলে মুষলধারে বৃষ্টি ও প্রবল বাতাসের প্রভাব অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

বিমান চলাচলে বিঘ্নের শঙ্কা

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং ওড়িশার ভুবনেশ্বরসহ দক্ষিণাঞ্চলে বিমান চলাচল ব্যাহত হতে পারে। ঝড়ের গতিপথ ও আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে হায়দরাবাদ, বারাণসী, প্রয়াগরাজ ও গোরখপুরেও ফ্লাইট চলাচলে বিলম্ব হতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের কাছ থেকে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

২ হাজার ১৯৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত

ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আগেই সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেয় অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু জানিয়েছেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় রাজ্যজুড়ে ২ হাজার ১৯৯টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুর্যোগ চলাকালে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশও দিয়েছে প্রশাসন।

উপকূলীয় এলাকায় সতর্কতা

ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারী বৃষ্টিপাত, প্রবল বাতাস এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি থাকায় উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নিচু এলাকা ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ, বাতাসের তীব্রতা এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণের ওপর নজর রাখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।