০৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০১:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৪৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পবিত্র কোরআনের গুরুত্বপূর্ণ সূরাগুলোর একটি হলো সুরা কাহাফ। এটি মক্কায় নাজিল হয়েছে। এই সূরায় মোট ১১০টি আয়াত রয়েছে।

তবে সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াতের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বিশেষ করে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকার বিষয়ে এসব আয়াতের ফজিলত হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।

এ কারণে অনেক মুসলিম সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি তারা এসব আয়াতের অর্থ ও শিক্ষা বোঝার চেষ্টা করেন।

সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত

প্রথম আয়াত

আরবি:
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَىٰ عَبْدِهِ الْكِتَابَ وَلَمْ يَجْعَلْ لَهُ عِوَجًا ۜ

বাংলা উচ্চারণ:
আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি আনঝালা আলা আবদিহিল কিতাবা ওয়া লাম ইয়াজআল লাহু ইওয়াজা।

অর্থ:
সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য। তিনি তাঁর বান্দার প্রতি কিতাব নাজিল করেছেন। আর তাতে কোনো বক্রতা রাখেননি।

দ্বিতীয় আয়াত

আরবি:
قَيِّمًا لِيُنْذِرَ بَأْسًا شَدِيدًا مِنْ لَدُنْهُ وَيُبَشِّرَ الْمُؤْمِنِينَ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ أَجْرًا حَسَنًا

বাংলা উচ্চারণ:
কাইয়্যিমান লিইউনযিরা বা’সান শাদিদাম মিল্লাদুনহু ওয়া ইউবাশশিরাল মুমিনীনাল্লাজিনা ইয়ামালুনাস সালিহাতি আন্না লাহুম আজরান হাসানা।

অর্থ:
এটি সুপ্রতিষ্ঠিত কিতাব। যাতে তিনি তাঁর পক্ষ থেকে কঠিন শাস্তির বিষয়ে সতর্ক করেন। পাশাপাশি যারা সৎকাজ করে, সেই মুমিনদের সুসংবাদ দেন যে তাদের জন্য রয়েছে উত্তম পুরস্কার।

তৃতীয় আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
মাকিছিনা ফিহি আবাদা।

অর্থ:
তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে।

চতুর্থ আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়া ইউনযিরাল্লাজিনা কালুত্তাখাযাল্লাহু ওয়ালাদা।

অর্থ:
এবং যারা বলে, ‘আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন’, তাদের সতর্ক করেন।

পঞ্চম আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
মা লাহুম বিহি মিন ইলমিওঁ ওয়া লি-আবা-ইহিম। কাবুরাত কালিমাতান তাখরুজু মিন আফওয়াহিহিম। ইন ইয়াকুলুনা ইল্লা কাযিবা।

অর্থ:
এ বিষয়ে তাদের কোনো জ্ঞান নেই। তাদের পূর্বপুরুষদেরও ছিল না। তাদের মুখ থেকে বের হওয়া কথাটি কতই না গুরুতর! তারা শুধু মিথ্যাই বলে।

ষষ্ঠ আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
ফালাআল্লাকা বাখিউন নাফসাকা আলা আসারিহিম ইল্লাম ইউমিনু বিহাযাল হাদিছি আসাফা।

অর্থ:
তারা এই বাণীতে ঈমান না আনলে হয়তো তাদের পেছনে দুঃখ করতে করতে আপনি নিজেকেই ধ্বংস করে ফেলবেন।

সপ্তম আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
ইন্না জাআলনা মা আলাল আরদি জিনাতাল্লাহা লিনাবলুওয়াহুম আইয়ুহুম আহসানু আমালা।

অর্থ:
নিশ্চয়ই পৃথিবীর ওপর যা কিছু রয়েছে, আমরা সেগুলোকে তার সৌন্দর্য করেছি। তবে কে কাজে উত্তম, তা পরীক্ষা করার জন্য।

অষ্টম আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়া ইন্না লাজাআইলুনা মা আলাইহা সাঈদান জুরুজা।

অর্থ:
আর অবশ্যই আমরা পৃথিবীর ওপর যা কিছু রয়েছে, তা একদিন শুষ্ক মাটিতে পরিণত করব।

নবম আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
আম হাসিবতা আন্না আসহাবাল কাহফি ওয়ার রাকিমি কানু মিন আয়াতিনা আজাবা।

অর্থ:
তুমি কি মনে কর যে গুহাবাসী ও রাকিমের ঘটনা আমাদের নিদর্শনগুলোর মধ্যে আশ্চর্যজনক ছিল?

দশম আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
ইয আওয়াল ফিতইয়াতু ইলাল কাহফি ফাকালু রাব্বানা আতিনা মিল্লাদুনকা রহমাতাও ওয়া হাইয়ি লানা মিন আমরিনা রাশাদা।

অর্থ:
যখন যুবকেরা গুহায় আশ্রয় নিয়েছিল, তখন তারা বলেছিল, ‘হে আমাদের রব! আপনি আমাদের আপনার পক্ষ থেকে রহমত দান করুন। আর আমাদের কাজ সঠিকভাবে পরিচালনার ব্যবস্থা করুন।’

সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াতের ফজিলত

সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াতের ফজিলত হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। হজরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।

এই হাদিসটি সহিহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে। তাই দাজ্জালের ফিতনা থেকে সুরক্ষার জন্য এসব আয়াত মুখস্থ করার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াতের শিক্ষা

প্রথম ১০ আয়াতে কোরআনের মর্যাদা তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে আল্লাহর একত্বের বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে।

এছাড়া ঈমান ও সৎকাজের গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে। অন্যদিকে পৃথিবীর জীবন যে পরীক্ষার স্থান, সেটিও এসব আয়াতে তুলে ধরা হয়েছে।

দুনিয়ার সৌন্দর্য ও সম্পদ স্থায়ী নয়। বরং একদিন সবকিছু বিলীন হয়ে যাবে। তাই একজন মুমিনের উচিত দুনিয়ার জীবনের পাশাপাশি আখিরাতের কথাও মনে রাখা।

একই সঙ্গে আল্লাহর ওপর ভরসা করে সঠিক পথে চলতে হবে। কারণ ঈমান, সৎকাজ ও আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস একজন মুমিনের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

শেষ কথা

সবশেষে বলা যায়, সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত শুধু তিলাওয়াতের জন্য নয়। বরং এসব আয়াতের অর্থ ও শিক্ষা বোঝাও গুরুত্বপূর্ণ।

তাই নিয়মিত তিলাওয়াতের পাশাপাশি আয়াতগুলোর মর্ম অনুধাবনের চেষ্টা করা উচিত। একই সঙ্গে সম্ভব হলে প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করার চেষ্টা করা যেতে পারে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ

আপডেট সময় : ০১:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পবিত্র কোরআনের গুরুত্বপূর্ণ সূরাগুলোর একটি হলো সুরা কাহাফ। এটি মক্কায় নাজিল হয়েছে। এই সূরায় মোট ১১০টি আয়াত রয়েছে।

তবে সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াতের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বিশেষ করে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকার বিষয়ে এসব আয়াতের ফজিলত হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।

এ কারণে অনেক মুসলিম সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি তারা এসব আয়াতের অর্থ ও শিক্ষা বোঝার চেষ্টা করেন।

সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত

প্রথম আয়াত

আরবি:
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَنْزَلَ عَلَىٰ عَبْدِهِ الْكِتَابَ وَلَمْ يَجْعَلْ لَهُ عِوَجًا ۜ

বাংলা উচ্চারণ:
আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি আনঝালা আলা আবদিহিল কিতাবা ওয়া লাম ইয়াজআল লাহু ইওয়াজা।

অর্থ:
সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য। তিনি তাঁর বান্দার প্রতি কিতাব নাজিল করেছেন। আর তাতে কোনো বক্রতা রাখেননি।

দ্বিতীয় আয়াত

আরবি:
قَيِّمًا لِيُنْذِرَ بَأْسًا شَدِيدًا مِنْ لَدُنْهُ وَيُبَشِّرَ الْمُؤْمِنِينَ الَّذِينَ يَعْمَلُونَ الصَّالِحَاتِ أَنَّ لَهُمْ أَجْرًا حَسَنًا

বাংলা উচ্চারণ:
কাইয়্যিমান লিইউনযিরা বা’সান শাদিদাম মিল্লাদুনহু ওয়া ইউবাশশিরাল মুমিনীনাল্লাজিনা ইয়ামালুনাস সালিহাতি আন্না লাহুম আজরান হাসানা।

অর্থ:
এটি সুপ্রতিষ্ঠিত কিতাব। যাতে তিনি তাঁর পক্ষ থেকে কঠিন শাস্তির বিষয়ে সতর্ক করেন। পাশাপাশি যারা সৎকাজ করে, সেই মুমিনদের সুসংবাদ দেন যে তাদের জন্য রয়েছে উত্তম পুরস্কার।

তৃতীয় আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
মাকিছিনা ফিহি আবাদা।

অর্থ:
তারা সেখানে চিরকাল অবস্থান করবে।

চতুর্থ আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়া ইউনযিরাল্লাজিনা কালুত্তাখাযাল্লাহু ওয়ালাদা।

অর্থ:
এবং যারা বলে, ‘আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন’, তাদের সতর্ক করেন।

পঞ্চম আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
মা লাহুম বিহি মিন ইলমিওঁ ওয়া লি-আবা-ইহিম। কাবুরাত কালিমাতান তাখরুজু মিন আফওয়াহিহিম। ইন ইয়াকুলুনা ইল্লা কাযিবা।

অর্থ:
এ বিষয়ে তাদের কোনো জ্ঞান নেই। তাদের পূর্বপুরুষদেরও ছিল না। তাদের মুখ থেকে বের হওয়া কথাটি কতই না গুরুতর! তারা শুধু মিথ্যাই বলে।

ষষ্ঠ আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
ফালাআল্লাকা বাখিউন নাফসাকা আলা আসারিহিম ইল্লাম ইউমিনু বিহাযাল হাদিছি আসাফা।

অর্থ:
তারা এই বাণীতে ঈমান না আনলে হয়তো তাদের পেছনে দুঃখ করতে করতে আপনি নিজেকেই ধ্বংস করে ফেলবেন।

সপ্তম আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
ইন্না জাআলনা মা আলাল আরদি জিনাতাল্লাহা লিনাবলুওয়াহুম আইয়ুহুম আহসানু আমালা।

অর্থ:
নিশ্চয়ই পৃথিবীর ওপর যা কিছু রয়েছে, আমরা সেগুলোকে তার সৌন্দর্য করেছি। তবে কে কাজে উত্তম, তা পরীক্ষা করার জন্য।

অষ্টম আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়া ইন্না লাজাআইলুনা মা আলাইহা সাঈদান জুরুজা।

অর্থ:
আর অবশ্যই আমরা পৃথিবীর ওপর যা কিছু রয়েছে, তা একদিন শুষ্ক মাটিতে পরিণত করব।

নবম আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
আম হাসিবতা আন্না আসহাবাল কাহফি ওয়ার রাকিমি কানু মিন আয়াতিনা আজাবা।

অর্থ:
তুমি কি মনে কর যে গুহাবাসী ও রাকিমের ঘটনা আমাদের নিদর্শনগুলোর মধ্যে আশ্চর্যজনক ছিল?

দশম আয়াত

বাংলা উচ্চারণ:
ইয আওয়াল ফিতইয়াতু ইলাল কাহফি ফাকালু রাব্বানা আতিনা মিল্লাদুনকা রহমাতাও ওয়া হাইয়ি লানা মিন আমরিনা রাশাদা।

অর্থ:
যখন যুবকেরা গুহায় আশ্রয় নিয়েছিল, তখন তারা বলেছিল, ‘হে আমাদের রব! আপনি আমাদের আপনার পক্ষ থেকে রহমত দান করুন। আর আমাদের কাজ সঠিকভাবে পরিচালনার ব্যবস্থা করুন।’

সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াতের ফজিলত

সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াতের ফজিলত হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। হজরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।

এই হাদিসটি সহিহ মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে। তাই দাজ্জালের ফিতনা থেকে সুরক্ষার জন্য এসব আয়াত মুখস্থ করার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াতের শিক্ষা

প্রথম ১০ আয়াতে কোরআনের মর্যাদা তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে আল্লাহর একত্বের বিষয়টিও স্পষ্ট করা হয়েছে।

এছাড়া ঈমান ও সৎকাজের গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে। অন্যদিকে পৃথিবীর জীবন যে পরীক্ষার স্থান, সেটিও এসব আয়াতে তুলে ধরা হয়েছে।

দুনিয়ার সৌন্দর্য ও সম্পদ স্থায়ী নয়। বরং একদিন সবকিছু বিলীন হয়ে যাবে। তাই একজন মুমিনের উচিত দুনিয়ার জীবনের পাশাপাশি আখিরাতের কথাও মনে রাখা।

একই সঙ্গে আল্লাহর ওপর ভরসা করে সঠিক পথে চলতে হবে। কারণ ঈমান, সৎকাজ ও আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস একজন মুমিনের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

শেষ কথা

সবশেষে বলা যায়, সুরা কাহাফের প্রথম ১০ আয়াত শুধু তিলাওয়াতের জন্য নয়। বরং এসব আয়াতের অর্থ ও শিক্ষা বোঝাও গুরুত্বপূর্ণ।

তাই নিয়মিত তিলাওয়াতের পাশাপাশি আয়াতগুলোর মর্ম অনুধাবনের চেষ্টা করা উচিত। একই সঙ্গে সম্ভব হলে প্রথম ১০ আয়াত মুখস্থ করার চেষ্টা করা যেতে পারে।