সিলেট ও লালমনিরহাটের পশুর হাটে জমজমাট বেচাকেনা
- আপডেট সময় : ১২:১২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
- / ১৫৭০ বার পড়া হয়েছে
কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে আসায় সিলেট বিভাগে জমে উঠতে শুরু করেছে পশুর হাট । পশুর সংখ্যা অনুযায়ী, এবার পুরো সিলেট বিভাগে প্রায় ২১শ কোটি টাকার বিশাল আর্থিক লেনদেনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এদিকে লালমনিরহাটে পশু খাবারের দাম বৃদ্ধি আর ক্রেতা কম থাকায় ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা। অন্যদিকে পরিবহন ভাড়া বাড়ায় জেলার বাইরে পশু নিতে বাড়তি খরচ গুণতে হচ্ছে ক্রেতা ও পাইকারদের।
সিলেটে এখন কুরবানির পশুর বেচাকেনা চলছে পুরোদমে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রাকে করে হাটে আনা হচ্ছে গরু ও ছাগল। বড় আকৃতির পশু ঘিরে ক্রেতাদের আগ্রহও চোখে পড়ার মতো।
বিক্রেতারা বলছেন, খামারে পশু পালনে খাবার ও ওষুধের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবার উৎপাদন খরচও বেড়েছে।
হাট সংশ্লিষ্টরা জানান, পশু কিনে বাসায় রাখার জায়গা সংকট, খাবার জোগাড়ের ঝামেলা ও পরিচর্যার সমস্যার কারণেই বেশিরভাগ মানুষ শেষ মুহূর্তে হাটে আসেন ।প্রাণিসম্পদ বিভাগের হিসেবে , এ বছর সিলেটে কুরবানিযোগ্য পশুর চাহিদা ১ লাখ ৩ হাজার ৯৩৮টি। এর বিপরীতে প্রস্তুত রয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৫টি পশু।
প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটে ঈদ মানেই বাড়তি আনন্দ আর পরিবারকেন্দ্রিক আয়োজন। আর সেই আয়োজনের বড় অংশ জুড়ে থাকে কুরবানির পশু কেনাবেচা।
এদিকে, ছোট-বড় নানা জাতের গরু নিয়ে জমে উঠেছে লালমনিরহাটের পশুর হাট। জেলার প্রায় ২২টি পশুর হাটে প্রতিদিনই বাড়ছে ক্রেতা ও পাইকারদের উপস্থিতি।
খামারিদের দাবি, এবার পশু পালনে খরচ বেড়েছে কয়েকগুণ। বিশেষ করে খড়, ভুষি ও অন্য উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় লাভ নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তারা।
স্থানীয় ক্রেতাদের পাশাপাশি ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছেন বড় ব্যবসায়ীরাও। তবে পরিবহন ভাড়া বাড়ায় জেলার বাইরে পশু নিয়ে যেতে বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে বলে জানান তারা।
এবারের, ঈদকে ঘিরে জেলায় প্রস্তুত আছে দুই লাখ ৬ হাজার ৪৬২টি পশু। আর জেলার চাহিদা রয়েছে এক লাখ ৫২ হাজার ৮৮৪টি। হাটে পশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ১৫টি মেডিকেল ক্যাম্প বসিয়েছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। একইসাথে জাল টাকা শনাক্ত, মলম পার্টি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে মাঠে কাজ করছে পুলিশ।
ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে উঠেছে লালমনিরহাটের পশুর হাটগুলো। তবে বাড়তি খরচ আর দাম নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেও শেষ মুহূর্তে ভালো বেচাকেনার আশা করছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা।


























