সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে জামায়াতের দুই এমপির মতবিনিময়
- আপডেট সময় : ০৪:৩২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩৯ বার পড়া হয়েছে
রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জনস্বার্থে পারস্পরিক সম্মান, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন সাতক্ষীরার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। এরই অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন জামায়াতে ইসলামীর দুই সংসদ সদস্য মুহা. ইজ্জতউল্লাহ ও মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময়ে জেলার উন্নয়ন, জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়। রাজনৈতিক অবস্থান ভিন্ন হলেও মানুষের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত নেতারা।
সাতক্ষীরার রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দল ও মতের মধ্যে বিভাজন থাকলেও উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছেন সাধারণ মানুষ। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে জামায়াতের দুই সংসদ সদস্যের এই সাক্ষাৎকে অনেকেই রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম হাবিব এবং জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মুহা. ইজ্জতউল্লাহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে প্রায় ১৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করেন জামায়াত প্রার্থী ইজ্জতউল্লাহ। নির্বাচনের পর থেকে দুই পক্ষের মধ্যে রাজনৈতিক দূরত্ব তৈরি হয়।
সম্প্রতি কলারোয়ায় একটি সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে একই স্থানে বিএনপি ও জামায়াত পৃথক কর্মসূচি ঘোষণা করলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তবে প্রশাসনের তৎপরতায় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এরই ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার লক্ষ্যে মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাবিবুল ইসলাম হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহা. ইজ্জতউল্লাহ এবং জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা।
সাক্ষাৎ শেষে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে নেতারা যদি জনস্বার্থে একসঙ্গে কাজ করেন, তাহলে সাতক্ষীরার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

























