০৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

৫ ডিসেম্বর নীতিমালার ঘোষণা

সাত দল নিয়ে তৈরি হলো ‘সমমনা ইসলামী জোট’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:৫৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৬৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ ও জাতীয় রাজনীতিতে শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে সাতটি ইসলামী দলের সমন্বয়ে গঠিত নতুন মোর্চা ‘সমমনা ইসলামী জোট’। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের দীর্ঘ সময়ব্যাপী এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জোটের নাম ও আত্মপ্রকাশের কথা ঘোষণা করা হয়।

জোটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যে ৭টি ইসলামী দল:

রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে এবং একযোগে কর্মসূচি পালনের উদ্দেশ্যে জোটভুক্ত হওয়া দলগুলো হলো: ১. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২. জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ৩. খেলাফত মজলিস ৪. বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৫. বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ৬. ইসলামী ঐক্যজোট ৭. বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি

৫ ডিসেম্বর নির্ধারিত হবে মূল নীতিমালা ও কৌশল

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন সাংবাদিকদের জানান, সকাল থেকেই সাতটি দলের শীর্ষ নেতারা এক যৌথ বৈঠকে মিলিত হন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই বৈঠকে জোটের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল, কর্মসূচি পরিচালনা এবং সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, আগামী ৫ ডিসেম্বর জোটের আনুষ্ঠানিক নীতিমালা, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে ও তা আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হবে।

কড়া হুঁশিয়ারি: ‘অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে জোট ছাড়বে শীর্ষ নেতারা’

জোটের আত্মপ্রকাশের পরপরই নিজেদের রাজনৈতিক স্বকীয়তা ও স্বতন্ত্র অবস্থান রক্ষায় কঠোর বার্তা দিয়েছেন কয়েকটি শরিক দলের শীর্ষ নেতারা। জোটে যোগ দিলেও তারা নিজেদের মৌলিক নীতির প্রশ্নে কোনো ছাড় দেবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে শীর্ষ নেতারা কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “জোটে কোনো ধরনের অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে বা কোনো পক্ষ থেকে একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা চালানো হলে আমরা তা মেনে নেব না। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে অবিলম্বে জোট ত্যাগ করতে আমরা দ্বিধা করব না।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসলামী দলগুলোর এই নতুন ঐক্য দেশের রাজপথ ও আসন্ন রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ প্রভাব ফেলবে। তবে জোটের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ৫ ডিসেম্বরের নীতিমালা গ্রহণের পর তারা কতটুকু ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

৫ ডিসেম্বর নীতিমালার ঘোষণা

সাত দল নিয়ে তৈরি হলো ‘সমমনা ইসলামী জোট’

আপডেট সময় : ০২:৫৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ ও জাতীয় রাজনীতিতে শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে সাতটি ইসলামী দলের সমন্বয়ে গঠিত নতুন মোর্চা ‘সমমনা ইসলামী জোট’। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের দীর্ঘ সময়ব্যাপী এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই জোটের নাম ও আত্মপ্রকাশের কথা ঘোষণা করা হয়।

জোটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে যে ৭টি ইসলামী দল:

রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করতে এবং একযোগে কর্মসূচি পালনের উদ্দেশ্যে জোটভুক্ত হওয়া দলগুলো হলো: ১. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২. জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ৩. খেলাফত মজলিস ৪. বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৫. বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ৬. ইসলামী ঐক্যজোট ৭. বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি

৫ ডিসেম্বর নির্ধারিত হবে মূল নীতিমালা ও কৌশল

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন সাংবাদিকদের জানান, সকাল থেকেই সাতটি দলের শীর্ষ নেতারা এক যৌথ বৈঠকে মিলিত হন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই বৈঠকে জোটের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল, কর্মসূচি পরিচালনা এবং সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, আগামী ৫ ডিসেম্বর জোটের আনুষ্ঠানিক নীতিমালা, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে ও তা আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হবে।

কড়া হুঁশিয়ারি: ‘অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে জোট ছাড়বে শীর্ষ নেতারা’

জোটের আত্মপ্রকাশের পরপরই নিজেদের রাজনৈতিক স্বকীয়তা ও স্বতন্ত্র অবস্থান রক্ষায় কঠোর বার্তা দিয়েছেন কয়েকটি শরিক দলের শীর্ষ নেতারা। জোটে যোগ দিলেও তারা নিজেদের মৌলিক নীতির প্রশ্নে কোনো ছাড় দেবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে শীর্ষ নেতারা কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “জোটে কোনো ধরনের অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে বা কোনো পক্ষ থেকে একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা চালানো হলে আমরা তা মেনে নেব না। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে অবিলম্বে জোট ত্যাগ করতে আমরা দ্বিধা করব না।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসলামী দলগুলোর এই নতুন ঐক্য দেশের রাজপথ ও আসন্ন রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ প্রভাব ফেলবে। তবে জোটের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ৫ ডিসেম্বরের নীতিমালা গ্রহণের পর তারা কতটুকু ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।