০২:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

বিশেষ খাবারের ক্ষেত্রে লাগবে লাইসেন্স

রাস্তার পাশে পিঠা-পুরি বিক্রি করলেও বাধ্যতামূলক নিবন্ধন

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:৪৩:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৫৩৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। এখন থেকে সব ধরনের খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এমনকি রাস্তার পাশে পিঠা, পুরি কিংবা পেঁয়াজু বিক্রেতাদেরও এই নিবন্ধনের আওতায় আসতে হবে।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য প্রস্তুতকারী, প্রক্রিয়াজাতকারী ও বিক্রেতাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিনামূল্যে নিবন্ধন পাবেন ১৬ ধরণের খাদ্য ব্যবসায়ী

প্রাথমিক পর্যায়ে ১৬টি নির্দিষ্ট শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও স্থাপনার জন্য নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে প্রথমবার কোনো ফি বা মাশুল ছাড়াই বিনা মূল্যে এই নিবন্ধন দেওয়া হবে।

যে ১৬টি খাতে নিবন্ধন লাগবে: রাস্তার পাশের পিঠা, পুরি, পেঁয়াজু ও মুখরোচক খাবার বিক্রেতা, রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, বেকারি ও পেস্ট্রি শপ, মিষ্টির দোকান ও দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী, ফলের রসের দোকান (জুস বার), প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী, কাঁচা ও তাজা খাদ্য ছাড়া অন্যান্য খাদ্যপণ্যের আমদানিকারক, পাইকারি মুদি খাদ্য ব্যবসা, খাদ্য সংরক্ষণাগার ও হিমাগার, ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদনকারীসহ অন্যান্য খাদ্য ব্যবসা।

বিশেষায়িত খাবারের ক্ষেত্রে লাইসেন্স ও ফি বাধ্যতামূলক

সাধারণ নিবন্ধনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু বিশেষায়িত খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রির জন্য নিবন্ধনের সাথে লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি বা মাশুল পরিশোধ করতে হবে।

লাইসেন্স নিতে হবে যেসব খাদ্যের জন্য: ১. শিশু খাদ্য (ফর্মুলা দুধ) এবং বয়স্ক বা নির্দিষ্ট রোগীদের জন্য বিশেষ পথ্য।

২. স্বাস্থ্যসহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য (Nutraceuticals), প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য।

৩. জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত (GMO) খাদ্য, জৈব খাদ্য (Organic Food), অভিনব খাদ্য ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার।

আবেদন প্রক্রিয়া, মেয়াদের সময়সীমা ও মোড়কীকরণ

  • আবেদন জমা: আপাতত বিএফএসএ-র (BFSA) সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে সরাসরি আবেদন জমা দেওয়া যাবে। ভবিষ্যতে এই পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

  • মেয়াদ ও নবায়ন: প্রতিটি নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে ৩ বছর। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নিয়ম মেনে তা নবায়ন করতে হবে।

  • প্যাকেজিং নিয়ম: যে সকল খাদ্যপণ্যের মোড়কে নিবন্ধন নম্বর উল্লেখের বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেগুলোর প্যাকেটে বা মোড়কে নম্বরটি স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিশেষ খাবারের ক্ষেত্রে লাগবে লাইসেন্স

রাস্তার পাশে পিঠা-পুরি বিক্রি করলেও বাধ্যতামূলক নিবন্ধন

আপডেট সময় : ০১:৪৩:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। এখন থেকে সব ধরনের খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এমনকি রাস্তার পাশে পিঠা, পুরি কিংবা পেঁয়াজু বিক্রেতাদেরও এই নিবন্ধনের আওতায় আসতে হবে।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য প্রস্তুতকারী, প্রক্রিয়াজাতকারী ও বিক্রেতাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিনামূল্যে নিবন্ধন পাবেন ১৬ ধরণের খাদ্য ব্যবসায়ী

প্রাথমিক পর্যায়ে ১৬টি নির্দিষ্ট শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও স্থাপনার জন্য নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে প্রথমবার কোনো ফি বা মাশুল ছাড়াই বিনা মূল্যে এই নিবন্ধন দেওয়া হবে।

যে ১৬টি খাতে নিবন্ধন লাগবে: রাস্তার পাশের পিঠা, পুরি, পেঁয়াজু ও মুখরোচক খাবার বিক্রেতা, রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, বেকারি ও পেস্ট্রি শপ, মিষ্টির দোকান ও দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী, ফলের রসের দোকান (জুস বার), প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী, কাঁচা ও তাজা খাদ্য ছাড়া অন্যান্য খাদ্যপণ্যের আমদানিকারক, পাইকারি মুদি খাদ্য ব্যবসা, খাদ্য সংরক্ষণাগার ও হিমাগার, ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদনকারীসহ অন্যান্য খাদ্য ব্যবসা।

বিশেষায়িত খাবারের ক্ষেত্রে লাইসেন্স ও ফি বাধ্যতামূলক

সাধারণ নিবন্ধনের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু বিশেষায়িত খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রির জন্য নিবন্ধনের সাথে লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি বা মাশুল পরিশোধ করতে হবে।

লাইসেন্স নিতে হবে যেসব খাদ্যের জন্য: ১. শিশু খাদ্য (ফর্মুলা দুধ) এবং বয়স্ক বা নির্দিষ্ট রোগীদের জন্য বিশেষ পথ্য।

২. স্বাস্থ্যসহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য (Nutraceuticals), প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য।

৩. জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত (GMO) খাদ্য, জৈব খাদ্য (Organic Food), অভিনব খাদ্য ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার।

আবেদন প্রক্রিয়া, মেয়াদের সময়সীমা ও মোড়কীকরণ

  • আবেদন জমা: আপাতত বিএফএসএ-র (BFSA) সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয়ে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে সরাসরি আবেদন জমা দেওয়া যাবে। ভবিষ্যতে এই পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

  • মেয়াদ ও নবায়ন: প্রতিটি নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে ৩ বছর। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নিয়ম মেনে তা নবায়ন করতে হবে।

  • প্যাকেজিং নিয়ম: যে সকল খাদ্যপণ্যের মোড়কে নিবন্ধন নম্বর উল্লেখের বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেগুলোর প্যাকেটে বা মোড়কে নম্বরটি স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে।