সুন্দরবন ও নলিয়ান পরিদর্শনের পর মোংলা নৌঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০২:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৩৬ বার পড়া হয়েছে
উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন পরিকল্পনা পর্যালোচনা ও মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দিনব্যাপী সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও নলিয়ান এলাকা পরিদর্শন শেষে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে নৌপথে তিনি মোংলার নৌঘাঁটি ‘বানৌজা মোংলায়’ পৌঁছান। দায়িত্ব গ্রহণের পর উপকূলীয় অঞ্চলে এটিই তার প্রথম সফর।
দিনব্যাপী সফরের মূল কর্মসূচী: আকাশপথে উপকূল পর্যবেক্ষণ: সকালে হেলিকপ্টারযোগে সফরের সূচনা করে আকাশপথে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্টসহ বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকা ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। দাকোপ ও মোংলা গমন: সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি খুলনার দাকোপে পৌঁছান এবং সেখান থেকে নৌযানে করে বানৌজা মোংলায় যান। প্রশাসনিক বৈঠক: নৌঘাঁটির ওয়ার্ডরুমে মধ্যাহ্নবিরতি শেষে স্থানীয় প্রশাসন ও নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার বৈঠক করার কথা রয়েছে। বন্দর ও অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন: বিকেল পৌনে ৩টার দিকে মোংলা বন্দরের জেটি ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।
সফরের লক্ষ্য ও প্রত্যাশা
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, সুন্দরবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোই এই সফরের মূল উদ্দেশ্য। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী বন্দরের চলমান আধুনিকায়ন প্রকল্প, প্রস্তাবিত নতুন কনটেইনার টার্মিনাল, আধুনিক পণ্য ওঠানো-নামানোর ব্যবস্থা এবং পশুর চ্যানেলের খনন কাজ পর্যালোচনা করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে স্থানীয় অধিবাসী, ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। পশুর চ্যানেলে নিয়মিত ড্রেজিং, আধুনিক যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণ, বন্দরের পরিধি বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে এই সফর ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন তারা।
দিনব্যাপী এই সফর শেষে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।





















