সভাপতি প্রার্থী হিসেবে ইনফান্তিনোকে অযোগ্য ঘোষণার দাবি
- আপডেট সময় : ০২:১৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪৬ বার পড়া হয়েছে
ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা করতে ফিফার কাছে আবেদন জানিয়েছে মানবাধিকারবিষয়ক সংগঠন ফেয়ারস্কয়ার। সংগঠনটির দাবি, ফিফার নিয়ম অনুযায়ী একজন সভাপতি সর্বোচ্চ তিন মেয়াদ দায়িত্ব পালন করতে পারেন, আর ইনফান্তিনো ইতোমধ্যে সেই সীমা অতিক্রম করেছেন।
আগামী ২০২৭-৩১ মেয়াদের জন্য ফিফা সভাপতির নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইনফান্তিনো। আগামী ১৮ মার্চ মরক্কোতে ফিফা কংগ্রেসে এই নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।
ফেয়ারস্কয়ার ফিফার গভর্ন্যান্স, অডিট অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স কমিটির (জিএসিসি) কাছে পাঠানো চিঠিতে জানিয়েছে, ২০১৬ সালে সেপ ব্লাটারের পদত্যাগের পর বিশেষ কংগ্রেসে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব নেওয়ার সময়টিও ইনফান্তিনোর মেয়াদের হিসাবের মধ্যে পড়া উচিত।
তবে ২০২২ সালে ফিফা কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নেয়, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সময়কে ইনফান্তিনোর প্রথম মেয়াদ হিসেবে গণনা করা হবে না। ফিফার পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সেটি ছিল অসমাপ্ত একটি মেয়াদ পূরণের দায়িত্ব।
ফেয়ারস্কয়ারের পরিচালক নিকোলাস ম্যাকগিহান বলেন, ফিফার নিয়মে তিন মেয়াদের সীমা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। এ নিয়মের ব্যতিক্রম তৈরি করা হলে তা ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে।
তিনি বলেন, “ফিফা শুধু একটি ব্যাখ্যার মাধ্যমে নিয়ম এড়িয়ে যেতে পারে না। মেয়াদসীমা সভাপতির ক্ষমতার ওপর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।”
এদিকে ইনফান্তিনোর কর্মকাণ্ড নিয়ে ইউরোপীয় ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা, এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এবং কনকাকাফও পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছে। এর পেছনে রয়েছে ফিফার একটি প্রস্তাব, যেখানে বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত ২০ বিলিয়ন ডলারের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বেশ কয়েকটি জাতীয় ফুটবল সংস্থাও ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। স্কটিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, তারা আগামী নির্বাচনে ইনফান্তিনোকে সমর্থন করবে না।
তবে আফ্রিকান ও দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেশনের সমর্থন এখনো ইনফান্তিনোর পক্ষে রয়েছে।
ফিফার সাবেক স্বাধীন গভর্ন্যান্স অ্যান্ড রিভিউ কমিটির প্রধান মিগেল মাদুরোও ফেয়ারস্কয়ারের উদ্যোগকে সমর্থন করেছেন। তার মতে, ২০১৬ সালের সংস্কারের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ করা এবং ফিফা নিজের নিয়ম নিজেই উপেক্ষা করতে পারে না।

























