শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নকল বীজের প্রতারণায় দিশেহারা কৃষক
- আপডেট সময় : ১১:২০:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
- / ১৫৪৪ বার পড়া হয়েছে
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নকল বীজের প্রতারণায় দিশেহারা শত শত কৃষক। কৃষকের স্বপ্ন ছিল সোনালী ধানের, কিন্তু মাঠজুড়ে এখন শুধুই হতাশা। চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ভেজাল বীজ রোপণ করে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, ব্রি-৯৬ জাতের মোড়কে বাজারজাত করা প্যাকেটে ছিল নিম্নমানের ভেজাল বীজ।
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার দিঘীরপাড় গ্রাম। চারদিকে সবুজের বদলে এখন দেখা যাচ্ছে নিস্তেজ, মরে যাওয়া ধানের চারা। চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে ভালো ফলনের আশায় জমিতে বীজ রোপণ করেছিলেন কৃষকরা। কিন্তু সময় গড়াতেই দেখা যায়, ধানের শীষ আসার আগেই চারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ছে।
কৃষকদের অভিযোগ, ঝিনাইগাতী বাজারের মেসার্স নূরুল আমিন এন্টারপ্রাইজ ও সাব্বির বীজ ভান্ডার থেকে মধুপুরের মিরন সীড কোম্পানির নামে ব্রি-৯৬ জাতের মোড়কে বাজারজাত করা বীজ কিনেছিলেন তারা। কিন্তু সেই প্যাকেটের ভেতরে ছিল নিম্নমানের ভেজাল বীজ।
ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা জানান, কেউ নিজের জমি, কেউ বর্গা নিয়ে আবাদ করেছিলেন। এতে একর প্রতি জমিতে ৪০হাজার টাকা বেশি খরচ হয়েছে। এখন ক্ষেতের এ অবস্থায় দিশেহারা কৃষকরা।
এদিকে, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা দায়ীদের শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণের আশায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কৃষি বিভাগের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে, অভিযুক্ত ডিলারের দাবি, তারা অনুমোদিত বীজ বিক্রি করেছেন।
তবে, কৃষি বিভাগ বলছে, বীজের মোড়কের সাথে ধানের কোনো মিল নেই। ইতোমধ্যেই অফিশিয়ালি অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৪ থেকে ৫ শতাধিক কৃষক এই ভেজাল বীজ রোপন করে চরম ক্ষতির সম্মূখিণ হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে, প্রায় আড়াই হাজার হেক্টর জমির ধান উৎপাদন।























