আপেল উৎপাদনে চমক লালমনিরহাটের এক উদ্যোক্তার
- আপডেট সময় : ১২:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
- / ১৫৩৪ বার পড়া হয়েছে
লালমনিরহাটের মাটিতে অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প বোনা হচ্ছে। যেখানে একসময় আপেল চাষ কেবল পাহাড়ি শীতপ্রধান দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, সেখানে উত্তরাঞ্চলের উষ্ণ আবহাওয়ায়ও সফলভাবে আপেল উৎপাদন করে চমক দেখিয়েছেন এক তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা। পাটগ্রামের দহগ্রামে পরীক্ষামূলক এই উদ্যোগ এখন সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে—যা বদলে দিতে পারে দেশের ফলচাষের চিত্র।
তুষারশুভ্র বরফে ঢাকা কাশ্মীর কিংবা হিমাচল নয়, এখন লালমনিরহাটের মাটিতেও ঝুলছে থোকায় থোকায় আপেল। প্রতিকূল আবহাওয়ায় আপেল চাষ অসম্ভব– এমন ধারণাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন দহগ্রাম এগ্রো ফার্ম এন্ড নার্সারীর স্বত্বাধিকরী আব্দুল আলিম। যেখানে একসময় ধান, ভুট্টা কিংবা সবজির চাষই ছিল প্রধান, সেখানে এখন পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হওয়া আপেল বাগান বদলে দিয়েছে দৃশ্যপট। অদম্য চেষ্টা আর নতুন কিছু করার সাহসই এনে দিয়েছে এই সাফল্য।
জেলার পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম এলাকার কৃষি উদ্যোক্তা আব্দুল আলিমের এই সাফল্য এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা জানান, এখানকার আপেল স্বাদে ও গুণে বাজারের আমদানি করা আপেলের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়, বরং বেশি রসালো।
১০ শতক জমিতে ৩৫টি আপেল গাছ লাগিয়ে এই উদ্যোক্তা প্রতিটি গাছ থেকে ৫-৬ কেজি করে আপেল সংগ্রহ করছেন। আব্দুল আলিমের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে কৃষি বিভাগ।
আব্দুল আলিমের হাত ধরে লালমনিরহাটে যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে, সেই চ্যালেঞ্জ নিতে পারে দেশের অন্য এলাকাগুলোও। এতে প্রয়োজনীয় সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আপেল আমদানির নির্ভরতা কমে সাশ্রয় হবে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা।












