০২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

“রংপুরে তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে শিক্ষক দম্পতি ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার”

রংপুর ব্যুরো।
  • আপডেট সময় : ১২:৩১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রংপুর নগরীতে তালাবদ্ধ নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত এক স্কুলশিক্ষক, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে নগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন, রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী (১২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে বাড়িটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। পরিবারের সদস্যদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে এবং বাড়ির ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে শনিবার রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভেঙে ঘরের ভেতর চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে।
নিহত প্রীতিলতা চক্রবর্তীর বোন পূজা চক্রবর্তী জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে সর্বশেষ মুঠোফোনে তাঁদের সঙ্গে কথা হয়েছিল। এরপর শনিবার ফোনে যোগাযোগ না পেয়ে রাত ৯টার দিকে তিনি স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে প্রধান ফটক বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে তাঁকে কোতোয়ালি থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়।
নিহত গণপতি চক্রবর্তী গত বছরের ডিসেম্বরে শিক্ষকতা থেকে অবসর নেন। অবসরের পর তিনি রংপুর সমবায় মার্কেটে একটি হোমিওপ্যাথি চেম্বারে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দিতেন।
তাঁর মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী কারমাইকেল কলেজের ইংরেজি বিভাগে মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন। অন্যদিকে ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
ঘটনাস্থলে পুলিশ, সিআইডিসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা তদন্ত শুরু করেছেন। রংপুর সিআইডির ইনচার্জ সুমিত চৌধুরী প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি ডাকাতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে বলে ধারণা করছেন। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল কাদের জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার সদস্যরা কাজ করছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। চারজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

“রংপুরে তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে শিক্ষক দম্পতি ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার”

আপডেট সময় : ১২:৩১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

রংপুর নগরীতে তালাবদ্ধ নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত এক স্কুলশিক্ষক, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে নগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন, রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী (১২)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে বাড়িটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। পরিবারের সদস্যদের কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে এবং বাড়ির ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ায় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে শনিবার রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তালা ভেঙে ঘরের ভেতর চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে।
নিহত প্রীতিলতা চক্রবর্তীর বোন পূজা চক্রবর্তী জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে সর্বশেষ মুঠোফোনে তাঁদের সঙ্গে কথা হয়েছিল। এরপর শনিবার ফোনে যোগাযোগ না পেয়ে রাত ৯টার দিকে তিনি স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে প্রধান ফটক বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে তাঁকে কোতোয়ালি থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়।
নিহত গণপতি চক্রবর্তী গত বছরের ডিসেম্বরে শিক্ষকতা থেকে অবসর নেন। অবসরের পর তিনি রংপুর সমবায় মার্কেটে একটি হোমিওপ্যাথি চেম্বারে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা দিতেন।
তাঁর মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী কারমাইকেল কলেজের ইংরেজি বিভাগে মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন। অন্যদিকে ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
ঘটনাস্থলে পুলিশ, সিআইডিসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা তদন্ত শুরু করেছেন। রংপুর সিআইডির ইনচার্জ সুমিত চৌধুরী প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি ডাকাতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে বলে ধারণা করছেন। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত নয়।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল কাদের জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার সদস্যরা কাজ করছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। চারজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।