ময়মনসিংহের বাকৃবিতে নানা কর্মসূচিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত
- আপডেট সময় : ০৪:২০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৮৯ বার পড়া হয়েছে
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ৪ আগস্ট জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের মাধ্যমে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলরের বিশেষ বাণী প্রচার করা হয়। সকালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন মিলনায়তনে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দিনের সূচনা ঘটে। বেলা ১১টায় প্রশাসন ভবন সংলগ্ন করিডোর থেকে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এক বর্ণাঢ্য বিজয় র্যালি বের হয়, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।
এরপর সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। এতে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাকৃবি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। সভার শুরুতে শহীদদের স্মরণে কোরআন তেলাওয়াত, বিশেষ দোয়া ও একটি সংক্ষিপ্ত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ডিন পরিষদের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. বাহানুর রহমান, উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. সামছুল আলম, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির। এছাড়া শহীদ পরিবারের সদস্যদের পক্ষে শহীদ সাইফুল ইসলামের পিতা মো. তৈয়ব আলী, শহীদ হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী আকলিমা আক্তার আখি ও শহীদ আমিনুল ইসলামের স্ত্রী তানজিনা আক্তার স্মৃতিচারণ করেন। ছাত্রসংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বাকৃবি শাখার আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান আতিক, সদস্য-সচিব মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম শোয়েব এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি জায়েদ হাসান ওয়ালিদ ও সহ-সম্পাদক শতাব্দী কর বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ১৯৫২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সকল গণ-আন্দোলনের শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। অন্যদিকে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া তাঁর বক্তব্যে গণতান্ত্রিক চেতনা ও বীর শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে এক বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার তাগিদ দেন। অনুষ্ঠান শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারকে সম্মাননা প্রদান এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।






















