০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের ৩ উপকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৫০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কোরআন শুধু একটি ধর্মীয় গ্রন্থ নয়; এটি মানুষের জীবন পরিচালনার পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা। নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ, অন্তরের প্রশান্তি এবং পরকালে কোরআনের সুপারিশ পাওয়ার আশা করা যায়। তাই ব্যস্ততার মধ্যেও প্রতিদিন কোরআন তিলাওয়াতের জন্য নির্দিষ্ট সময় রাখা একজন মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের তিনটি বিশেষ উপকার হলো—

আল্লাহর বিশেষজন হওয়ার সুযোগ

কোরআনের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলা একজন মুমিনের জন্য বিশেষ মর্যাদার বিষয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মানুষের মধ্যে কিছু আল্লাহর পরিজন রয়েছে। সাহাবিরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা কোরআনের পরিজন এবং আল্লাহর বিশেষজন।

তাই শুধু রমজান বা বিশেষ সময় নয়, সারা বছর কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা উচিত। প্রতিদিন অল্প হলেও তিলাওয়াত করা, আয়াতের অর্থ বোঝা এবং সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনার চেষ্টা কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করে।

পরকালে কোরআনের সুপারিশ

কিয়ামতের দিন কোরআন তার সঙ্গীদের জন্য সুপারিশ করবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোরআন তিলাওয়াত করতে, কারণ কিয়ামতের দিন এটি তার সঙ্গীদের জন্য সুপারিশকারী হয়ে আসবে।

দুনিয়ায় কোরআন তিলাওয়াতের পাশাপাশি এর শিক্ষা বোঝা ও জীবনে বাস্তবায়নের চেষ্টা একজন মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোরআনকে শুধু ঘরে সংরক্ষণ বা বিশেষ অনুষ্ঠানে তিলাওয়াতের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতিদিনের জীবনের অংশ করে নেওয়া উচিত।

অন্তরে প্রশান্তি

দুশ্চিন্তা, হতাশা ও নানা ধরনের অস্থিরতায় মানুষের মন অশান্ত হয়ে উঠতে পারে। এমন সময়ে কোরআন মুমিনের জন্য প্রশান্তির অন্যতম উৎস হতে পারে। আল্লাহ তাআলা বলেন, যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়—জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্ত হয়।

কোরআন তিলাওয়াত আল্লাহর স্মরণের অন্যতম মাধ্যম। মনোযোগ দিয়ে কোরআন পড়া এবং আয়াতের অর্থ নিয়ে চিন্তা করা অন্তরকে আল্লাহর সঙ্গে যুক্ত করে। এতে দুশ্চিন্তার মধ্যেও আল্লাহর ওপর ভরসা ও তাঁর সাহায্যের আশা জাগে।

তাই ব্যস্ত জীবনে প্রতিদিন কিছু সময় কোরআন তিলাওয়াতের জন্য রাখা উচিত। অল্প কয়েকটি আয়াত হলেও নিয়মিত পড়ার অভ্যাস গড়ে তুললে কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় হবে এবং এর শিক্ষা জীবনে বাস্তবায়নের সুযোগও বাড়বে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের ৩ উপকার

আপডেট সময় : ০৫:৫২:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

কোরআন শুধু একটি ধর্মীয় গ্রন্থ নয়; এটি মানুষের জীবন পরিচালনার পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা। নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ, অন্তরের প্রশান্তি এবং পরকালে কোরআনের সুপারিশ পাওয়ার আশা করা যায়। তাই ব্যস্ততার মধ্যেও প্রতিদিন কোরআন তিলাওয়াতের জন্য নির্দিষ্ট সময় রাখা একজন মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াতের তিনটি বিশেষ উপকার হলো—

আল্লাহর বিশেষজন হওয়ার সুযোগ

কোরআনের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলা একজন মুমিনের জন্য বিশেষ মর্যাদার বিষয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মানুষের মধ্যে কিছু আল্লাহর পরিজন রয়েছে। সাহাবিরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা কোরআনের পরিজন এবং আল্লাহর বিশেষজন।

তাই শুধু রমজান বা বিশেষ সময় নয়, সারা বছর কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা উচিত। প্রতিদিন অল্প হলেও তিলাওয়াত করা, আয়াতের অর্থ বোঝা এবং সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনার চেষ্টা কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করে।

পরকালে কোরআনের সুপারিশ

কিয়ামতের দিন কোরআন তার সঙ্গীদের জন্য সুপারিশ করবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোরআন তিলাওয়াত করতে, কারণ কিয়ামতের দিন এটি তার সঙ্গীদের জন্য সুপারিশকারী হয়ে আসবে।

দুনিয়ায় কোরআন তিলাওয়াতের পাশাপাশি এর শিক্ষা বোঝা ও জীবনে বাস্তবায়নের চেষ্টা একজন মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোরআনকে শুধু ঘরে সংরক্ষণ বা বিশেষ অনুষ্ঠানে তিলাওয়াতের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতিদিনের জীবনের অংশ করে নেওয়া উচিত।

অন্তরে প্রশান্তি

দুশ্চিন্তা, হতাশা ও নানা ধরনের অস্থিরতায় মানুষের মন অশান্ত হয়ে উঠতে পারে। এমন সময়ে কোরআন মুমিনের জন্য প্রশান্তির অন্যতম উৎস হতে পারে। আল্লাহ তাআলা বলেন, যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের অন্তর প্রশান্ত হয়—জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্ত হয়।

কোরআন তিলাওয়াত আল্লাহর স্মরণের অন্যতম মাধ্যম। মনোযোগ দিয়ে কোরআন পড়া এবং আয়াতের অর্থ নিয়ে চিন্তা করা অন্তরকে আল্লাহর সঙ্গে যুক্ত করে। এতে দুশ্চিন্তার মধ্যেও আল্লাহর ওপর ভরসা ও তাঁর সাহায্যের আশা জাগে।

তাই ব্যস্ত জীবনে প্রতিদিন কিছু সময় কোরআন তিলাওয়াতের জন্য রাখা উচিত। অল্প কয়েকটি আয়াত হলেও নিয়মিত পড়ার অভ্যাস গড়ে তুললে কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় হবে এবং এর শিক্ষা জীবনে বাস্তবায়নের সুযোগও বাড়বে।