০৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

নির্ধারিত সময়ের পর ৭ মাস পার হলেও উদ্বোধন হয়নি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বিজয়-৭১’ ছাত্রাবাস

এস. এ টিভি
  • আপডেট সময় : ০১:৩৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / ১৫৪৮ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গত বছরের ডিসেম্বরে উদ্বোধনের কথা থাকলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ‘বিজয়-৭১’ ছাত্রাবাসের এখনো শেষ হয়নি নির্মাণ কাজ। একই সাথে প্রশ্ন উঠেছে নির্মাণ কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে। উদ্বোধনের আগেই ১০ তলা ছাত্রাবাসটির বিভিন্ন দেয়াল ও পিলারে দেখা দিয়েছে ফাটল। এতে করে নির্মাণ কাজের গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠন করা হয়েছে একাধিক তদন্ত কমিটি।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নির্মাণকাজ শুরু হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই হলটির। পূর্ববর্তী প্রশাসন হলটির নাম নির্ধারণ করেছিল ‘শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান হল’। ৫ আগষ্টের পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হলটির চূড়ান্ত নাম ঘোষণা করে ‘বিজয় ৭১’ হল। হলটি নির্মাণের সময়সীমা একাধিকবার বাড়ানোর পর গত বছরের ডিসেম্বরে উদ্বোধনের কথা থাকলেও এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যেই ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও লিফটের ত্রুটি দেখা দেয়ায় নতুন করে নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আবাসিক হলটির সরবরাহ করা চেয়ার-টেবিল ও কাঠের দরজা থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে ব্যবহার করা হয়েছে খুবই নিম্নমানের সরঞ্জাম। এদিকে সময়মত নির্মাণ কাজ শেষ করতে না পারলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান উত্তোলন করেছে অধিকাংশ অর্থ। এসব অনিয়মের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমতির অজুহাতে কোন তথ্য দিতে রাজি নন পরিকল্পনা বিভাগের প্রধান ও ভবনের প্রকল্প পরিচালক এস.এম. ওবায়দুল ইসলাম।

তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটিকে এখন পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়েছে প্রায় ৬০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। আর যে ফাটলগুলো দেখা দিয়েছে তা মূল কলামগুলোতে না হওয়ায় ভবনটি নিয়ে তেমন কোন ঝুঁকি নেই।

এদিক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম জানান, এসব অভিযোগের বিষয়ে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভবনটি ত্রুটিমুক্ত হলে, তবেই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হস্তান্তর নেয়া হবে।

প্রায় ২৪ হাজার বর্গমিটার আয়তনের এই আবাসিক হলে প্রায় ১১শ’ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হলটিতে রয়েছে চারটি লিফট, একটি বৃহৎ মসজিদ এবং প্রায় ৩শ’ আসনবিশিষ্ট আধুনিক অডিটোরিয়াম। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বিতীয় তলায় থাকছে লাইব্রেরি, ইনডোর গেমস রুম, জিমনেসিয়াম ও রিডিং রুম। নিচ তলায় রাখা হয়েছে গ্রিন জোন এবং স্থায়ী দোকানের ব্যবস্থা।

 

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নির্ধারিত সময়ের পর ৭ মাস পার হলেও উদ্বোধন হয়নি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বিজয়-৭১’ ছাত্রাবাস

আপডেট সময় : ০১:৩৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

গত বছরের ডিসেম্বরে উদ্বোধনের কথা থাকলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ‘বিজয়-৭১’ ছাত্রাবাসের এখনো শেষ হয়নি নির্মাণ কাজ। একই সাথে প্রশ্ন উঠেছে নির্মাণ কাজের স্বচ্ছতা নিয়ে। উদ্বোধনের আগেই ১০ তলা ছাত্রাবাসটির বিভিন্ন দেয়াল ও পিলারে দেখা দিয়েছে ফাটল। এতে করে নির্মাণ কাজের গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে গঠন করা হয়েছে একাধিক তদন্ত কমিটি।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নির্মাণকাজ শুরু হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই হলটির। পূর্ববর্তী প্রশাসন হলটির নাম নির্ধারণ করেছিল ‘শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান হল’। ৫ আগষ্টের পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হলটির চূড়ান্ত নাম ঘোষণা করে ‘বিজয় ৭১’ হল। হলটি নির্মাণের সময়সীমা একাধিকবার বাড়ানোর পর গত বছরের ডিসেম্বরে উদ্বোধনের কথা থাকলেও এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যেই ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও লিফটের ত্রুটি দেখা দেয়ায় নতুন করে নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আবাসিক হলটির সরবরাহ করা চেয়ার-টেবিল ও কাঠের দরজা থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে ব্যবহার করা হয়েছে খুবই নিম্নমানের সরঞ্জাম। এদিকে সময়মত নির্মাণ কাজ শেষ করতে না পারলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান উত্তোলন করেছে অধিকাংশ অর্থ। এসব অনিয়মের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমতির অজুহাতে কোন তথ্য দিতে রাজি নন পরিকল্পনা বিভাগের প্রধান ও ভবনের প্রকল্প পরিচালক এস.এম. ওবায়দুল ইসলাম।

তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটিকে এখন পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়েছে প্রায় ৬০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। আর যে ফাটলগুলো দেখা দিয়েছে তা মূল কলামগুলোতে না হওয়ায় ভবনটি নিয়ে তেমন কোন ঝুঁকি নেই।

এদিক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম জানান, এসব অভিযোগের বিষয়ে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ভবনটি ত্রুটিমুক্ত হলে, তবেই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হস্তান্তর নেয়া হবে।

প্রায় ২৪ হাজার বর্গমিটার আয়তনের এই আবাসিক হলে প্রায় ১১শ’ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হলটিতে রয়েছে চারটি লিফট, একটি বৃহৎ মসজিদ এবং প্রায় ৩শ’ আসনবিশিষ্ট আধুনিক অডিটোরিয়াম। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বিতীয় তলায় থাকছে লাইব্রেরি, ইনডোর গেমস রুম, জিমনেসিয়াম ও রিডিং রুম। নিচ তলায় রাখা হয়েছে গ্রিন জোন এবং স্থায়ী দোকানের ব্যবস্থা।