নারায়ণগঞ্জ সাত খুনের একযুগ; রায় কার্যকর না হওয়ায় নিহতদের পরিবারে ক্ষোভ
- আপডেট সময় : ১২:১৪:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
- / ১৫৬৮ বার পড়া হয়েছে
নারায়ণগঞ্জে সাত ব্যক্তিকে হত্যা করে পেট ফুটো করে প্রত্যেককে ২৪টি ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেয়া হয় যাতে করে মরদেহ ভেসে উঠতে না পারে। আর এই ঘটনার মাধ্যমে কলঙ্ক লেপে দিয়েছিল নারায়ণগঞ্জকে।
এমন পৈশাচিকতার সুষ্ঠু বিচার কার্যকরের অপেক্ষার প্রহর শেষ হয়নি এক যুগেও। ৯ বছর আগে নিম্ন আদালত ও ৮ বছর আগে উচ্চ আদালত রায় ঘোষণা করলেও আপিল বিভাগে ঝুলে রয়েছে আলোচিত ৭ খুন মামলাটি। ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তৎকালিন প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম,তার গাড়িচালক ইব্রাহিম, সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকার, তার ঘনিষ্ট বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তার গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, তাজুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম লিটনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ৩০ এপ্রিল বন্দরে শীতলক্ষ্যা নদীর তীর থেকে একে একে ভেসে উঠে তাদের পেট কাটা, ২৪ টি ইট বাঁধা মরদেহ। লোমহর্ষক এ সাত খুনের সঙ্গে রেবের তিন কর্মকর্তাসহ একাধিক সদস্য ও নাসিকের কাউন্সিলর নূর হোসেনসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা জড়িত থাকার ঘটনায় সারা দেশে তোলপাড় হয়। এ ঘটনায় দুই মামলার বাদী হন নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি এবং চন্দন সরকারের মেয়ের জামাতা বিজয় কুমার পাল।






















