০৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

জামালপুরে গৃহবধূ ইশরাত হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ফজলে এলাহী মাকাম, জামালপুর
  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামালপুরে ইশরাত জাহান (৩৪) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি কাউসার আহমেদ খানকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সোমবার বিকেলে জামালপুর শহরের বাগেরহাটা এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে শহরের বাগেরহাটা এলাকায় পিবিআই কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআই জামালপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত।

যেভাবে ঘটে হত্যাকাণ্ড

পিবিআই জানায়, গত ২৩ আগস্ট সকালে জামালপুর শহরের পাঁচরাস্তা মোড় এলাকার কলাবাগান গলিতে বাবুল মিয়ার বাড়ির পঞ্চম তলা থেকে ইশরাত জাহানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ও কাউসার স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।

এ ঘটনায় ইশরাতের মা মুক্তা বেগম কাউসার আহমেদ খানসহ অজ্ঞাত আরও দুজনকে আসামি করে জামালপুর সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব নেয় পিবিআই।

তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, ২০১৪ সালে শাওন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে ইশরাতের বিয়ে হয়। তাদের দুই সন্তান রয়েছে। ২০২১ সালে শাওন মারা যাওয়ার পর দুই সন্তানকে নিয়ে জামালপুর শহরে বসবাস করতেন ইশরাত।

প্রায় তিন বছর আগে কাউসারের মনোহারি দোকানে কেনাকাটার সূত্রে ইশরাতের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়।

পিবিআইয়ের দাবি, ইশরাত তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে কাউসারকে ব্ল্যাকমেইল করতেন। এভাবে তিনি কাউসারের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় মোটা অঙ্কের টাকা নেন। এমনকি কাউসার তার সঞ্চয়, জমি বিক্রির টাকা এবং মা ও স্ত্রীর স্বর্ণালংকার বিক্রির অর্থও ইশরাতকে দেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

টাকা চাওয়া নিয়ে বিরোধ

পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন ইশরাত ফোন করে কাউসারকে তার ভাড়া বাসায় ডেকে নেন। সেখানে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করলে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।

একপর্যায়ে ইশরাত কাউসারের স্ত্রীকে ফোন করে তাদের সম্পর্কের কথা জানিয়ে দেন। এরপর কাউসার ও ইশরাতের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পিবিআইয়ের দাবি, এ সময় কাউসার ইশরাতের গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পিবিআই পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত জানান, গ্রেপ্তার কাউসারকে জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জামালপুরে গৃহবধূ ইশরাত হত্যার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৩:১৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

জামালপুরে ইশরাত জাহান (৩৪) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি কাউসার আহমেদ খানকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সোমবার বিকেলে জামালপুর শহরের বাগেরহাটা এলাকা থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে শহরের বাগেরহাটা এলাকায় পিবিআই কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআই জামালপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত।

যেভাবে ঘটে হত্যাকাণ্ড

পিবিআই জানায়, গত ২৩ আগস্ট সকালে জামালপুর শহরের পাঁচরাস্তা মোড় এলাকার কলাবাগান গলিতে বাবুল মিয়ার বাড়ির পঞ্চম তলা থেকে ইশরাত জাহানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ও কাউসার স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ওই বাসায় ভাড়া থাকতেন।

এ ঘটনায় ইশরাতের মা মুক্তা বেগম কাউসার আহমেদ খানসহ অজ্ঞাত আরও দুজনকে আসামি করে জামালপুর সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব নেয় পিবিআই।

তদন্তে পিবিআই জানতে পারে, ২০১৪ সালে শাওন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে ইশরাতের বিয়ে হয়। তাদের দুই সন্তান রয়েছে। ২০২১ সালে শাওন মারা যাওয়ার পর দুই সন্তানকে নিয়ে জামালপুর শহরে বসবাস করতেন ইশরাত।

প্রায় তিন বছর আগে কাউসারের মনোহারি দোকানে কেনাকাটার সূত্রে ইশরাতের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়।

পিবিআইয়ের দাবি, ইশরাত তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে কাউসারকে ব্ল্যাকমেইল করতেন। এভাবে তিনি কাউসারের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় মোটা অঙ্কের টাকা নেন। এমনকি কাউসার তার সঞ্চয়, জমি বিক্রির টাকা এবং মা ও স্ত্রীর স্বর্ণালংকার বিক্রির অর্থও ইশরাতকে দেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

টাকা চাওয়া নিয়ে বিরোধ

পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন ইশরাত ফোন করে কাউসারকে তার ভাড়া বাসায় ডেকে নেন। সেখানে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করলে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।

একপর্যায়ে ইশরাত কাউসারের স্ত্রীকে ফোন করে তাদের সম্পর্কের কথা জানিয়ে দেন। এরপর কাউসার ও ইশরাতের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পিবিআইয়ের দাবি, এ সময় কাউসার ইশরাতের গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

পিবিআই পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত জানান, গ্রেপ্তার কাউসারকে জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।