এশিয়ান গেমসে ক্রিকেট আয়োজন নিয়ে অসন্তোষ, যা বলছে জাপান
- আপডেট সময় : ০৩:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৩ বার পড়া হয়েছে
এশিয়ান গেমসে ক্রিকেট আয়োজন ঘিরে অসন্তোষ ক্রমেই বাড়ছে। খেলোয়াড়দের আবাসন, ড্রেসিংরুম এবং মাঠের অবকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)। একই বিষয়ে আপত্তি রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশেরও।
আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসের আয়োজকদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা হলেও এখনো পুরোপুরি সমাধান মেলেনি। এরই মধ্যে ভারত জানিয়েছে, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে তারা এশিয়ান গেমসে দ্বিতীয় সারির দল পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ক্রিকেটারদের আশ্বস্ত করতে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে জাপান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন।
আবাসন নিয়ে জাপানের ব্যাখ্যা
এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে যাওয়া বিভিন্ন দেশের খেলোয়াড় ও কোচদের জন্য আয়োজকরা আবাসনের ব্যবস্থা করেছে। তবে এসব আবাসনের কিছু গেমস ভিলেজ থেকে বেশ দূরে। কোথাও তাঁবু, আবার কোথাও নোঙর করা জাহাজেও থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জাপানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৫ হাজারের বেশি মানুষের জন্য নতুন করে আবাসনের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে গেমসের বাজেটও বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই।
তবে ক্রিকেট দলগুলোর জন্য আলাদা সুবিধার কথা জানিয়েছে জাপান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থাটির সিইও নাওকি অ্যালেক্স মিয়াজি সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, ক্রিকেট দলগুলো চাইলে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী হোটেলে থাকার সুযোগ পাবে।
ড্রেসিংরুম ও মাঠের সুযোগ-সুবিধা
ড্রেসিংরুমের ব্যবস্থা নিয়েও বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট বোর্ড আপত্তি জানিয়েছে। জাপানের ক্রিকেট সংস্থার দাবি, সাজঘর অস্থায়ী হলেও সেখানে খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। মাঠের পাশে থাকা স্থায়ী অবকাঠামোও ক্রিকেটারদের ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
মিয়াজির ভাষ্য অনুযায়ী, গেমস ভিলেজে স্থায়ী ও অস্থায়ী—দুই ধরনের আবাসনের ব্যবস্থা থাকছে। খেলোয়াড়দের জন্য নির্দিষ্ট এলাকায় শৌচাগারের ব্যবস্থাও থাকবে। সীমিত সময় ও বাজেটের মধ্যে যতটা সম্ভব ভালো সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
১৭ মাসে তৈরি হয়েছে ক্রিকেট মাঠ
এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে নিশিনের কারোগি স্পোর্টস পার্কে। আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পূর্ব এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বাছাইপর্বের ম্যাচও এই মাঠে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
জাপান ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সিইও জানান, মাত্র ১৭ মাসে শূন্য থেকে মাঠটি তৈরি করা হয়েছে। আইচি অঞ্চলে আগে ক্রিকেটের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ছিল না। সীমিত অর্থ ও সময়ের মধ্যেও পূর্ণ আকারের ক্রিকেট মাঠ তৈরি করা হয়েছে।
মাঠ তৈরিতে অভিজ্ঞ পিচ প্রস্তুতকারককে যুক্ত করা হয়েছে। অন্য জায়গায় প্রস্তুত করা পিচ এনে মাঠে স্থাপন করা হয়েছে। এ কাজে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেছেন মিয়াজি।
জাপানের ক্রিকেট সংস্থার দাবি, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট আয়োজনের জন্য মানসম্মত মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ক্রিকেট দলগুলোর আবাসন ও অন্যান্য সুবিধা নিয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।


























