০৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আখাউড়ায় দুই হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় আশুলিয়া থানার দুই হত্যা মামলার আসামি মো. ইদ্রিস আলীকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার ইদ্রিস আলী ঢাকার আশুলিয়া থানার জামগড়া এলাকার মোহাম্মদ আলী আহমেদের ছেলে। আটকের পর তাকে আখাউড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ইমিগ্রেশনে ডাটাবেজ যাচাই করে আটক

আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইদ্রিস আলী তার ছোট বোন ও ভাগিনাকে নিয়ে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে আসেন। এ সময় তার কাগজপত্র ও তথ্য ডাটাবেজে যাচাই করা হয়।

যাচাইয়ে তার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় দুটি হত্যা মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে আটক করা হয়।

আখাউড়া ইমিগ্রেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ এসআই মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, ইদ্রিস আলী ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইমিগ্রেশনে আসেন। ডাটাবেজ যাচাই করে তার নামে দুটি হত্যা মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। পরে তাকে আটক করে আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

দুটি হত্যা মামলায় আসামি

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট দায়ের করা মামলা নম্বর-১১ এবং ২০ আগস্ট দায়ের করা মামলা নম্বর-১৬ রয়েছে।

দুটি মামলাতেই দণ্ডবিধির ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ৩০২, ৩৪ ও ১১৪ ধারা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় ২০১ ধারাও যুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মামলাগুলোতে হত্যা, হামলা ও সংঘবদ্ধভাবে অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরের বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে ইদ্রিস আলীর সম্পৃক্ততার অভিযোগও মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

আশুলিয়া পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ জানান, গ্রেপ্তারের পর ইদ্রিস আলী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মামলায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য তাকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

আশুলিয়া থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় দুটি হত্যা মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে। আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটকের পর আশুলিয়া পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, ইদ্রিস আলীর সঙ্গে ভারতে যাওয়ার সময় থাকা তার ছোট বোন ও ভাগিনার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, দুটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে ভারতে যাওয়ার সময় ইদ্রিস আলীকে আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশ আটক করেছে। ডাটাবেজ যাচাইয়ের পর তার বিরুদ্ধে মামলা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আখাউড়ায় দুই হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় আশুলিয়া থানার দুই হত্যা মামলার আসামি মো. ইদ্রিস আলীকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার ইদ্রিস আলী ঢাকার আশুলিয়া থানার জামগড়া এলাকার মোহাম্মদ আলী আহমেদের ছেলে। আটকের পর তাকে আখাউড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ইমিগ্রেশনে ডাটাবেজ যাচাই করে আটক

আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইদ্রিস আলী তার ছোট বোন ও ভাগিনাকে নিয়ে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে আসেন। এ সময় তার কাগজপত্র ও তথ্য ডাটাবেজে যাচাই করা হয়।

যাচাইয়ে তার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় দুটি হত্যা মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে আটক করা হয়।

আখাউড়া ইমিগ্রেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ এসআই মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, ইদ্রিস আলী ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইমিগ্রেশনে আসেন। ডাটাবেজ যাচাই করে তার নামে দুটি হত্যা মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। পরে তাকে আটক করে আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

দুটি হত্যা মামলায় আসামি

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট দায়ের করা মামলা নম্বর-১১ এবং ২০ আগস্ট দায়ের করা মামলা নম্বর-১৬ রয়েছে।

দুটি মামলাতেই দণ্ডবিধির ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ৩০২, ৩৪ ও ১১৪ ধারা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় ২০১ ধারাও যুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মামলাগুলোতে হত্যা, হামলা ও সংঘবদ্ধভাবে অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরের বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে ইদ্রিস আলীর সম্পৃক্ততার অভিযোগও মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

আশুলিয়া পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ জানান, গ্রেপ্তারের পর ইদ্রিস আলী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মামলায় পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য তাকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

আশুলিয়া থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় দুটি হত্যা মামলা রয়েছে। এসব মামলায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চলমান রয়েছে। আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটকের পর আশুলিয়া পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, ইদ্রিস আলীর সঙ্গে ভারতে যাওয়ার সময় থাকা তার ছোট বোন ও ভাগিনার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, দুটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে ভারতে যাওয়ার সময় ইদ্রিস আলীকে আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশ আটক করেছে। ডাটাবেজ যাচাইয়ের পর তার বিরুদ্ধে মামলা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।