০৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতে পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা যেন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৫৫ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতে পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা যাতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মাহদী আমিনের সঙ্গে। এ সময় দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার একপর্যায়ে ভারতে অবস্থানরত পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রসঙ্গ তোলেন মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, ভারতে পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা যাতে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে এবং কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির সুযোগ না পায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা

সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।

বিশেষ করে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ জোরদার হলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও কার্যকর ও টেকসই হবে বলে আলোচনায় উঠে আসে।

বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও যোগাযোগ বৃদ্ধির বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর গুরুত্ব

বৈঠকে দুই দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও মূল্যবোধ আরও সুসংহত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আলোচনায় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে আরও টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর জোর দেওয়া হয়। দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়েও গঠনমূলক আলোচনা হয়।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা

বৈঠকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।

পর্যটন খাতেও সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে আলোচনায় উঠে আসে। দুই দেশের নাগরিকদের পারস্পরিক যাতায়াত সহজ ও যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলে এসব খাতে আরও কার্যকর সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্ব

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করেন মাহদী আমিন ও দীনেশ ত্রিবেদী।

দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং সম্ভাবনাময় খাতে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় হয়।

বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের মাধ্যমে উভয় দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে সহযোগিতার সম্ভাবনা

তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ নতুন নতুন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয়পক্ষ মত দেন।

প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও জ্ঞানভিত্তিক খাতে দুই দেশের সক্ষমতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলে আলোচনায় গুরুত্ব পায়। এসব ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

বৈঠকে ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তাও উপস্থিত

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধেও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ছাড়াও ভবিষ্যতে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।

সামগ্রিকভাবে, বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ককে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা, ন্যায়বিচার, সংলাপ ও সহযোগিতার ভিত্তিতে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার জন্য ভারতে অবস্থানরত পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের কোনো ধরনের কর্মকাণ্ডের সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন মাহদী আমিন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ভারতে পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা যেন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: মাহদী আমিন

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতে পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা যাতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মাহদী আমিনের সঙ্গে। এ সময় দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনার একপর্যায়ে ভারতে অবস্থানরত পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রসঙ্গ তোলেন মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, ভারতে পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা যাতে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে এবং কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির সুযোগ না পায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা

সৌজন্য সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা।

বিশেষ করে দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ জোরদার হলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও কার্যকর ও টেকসই হবে বলে আলোচনায় উঠে আসে।

বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও যোগাযোগ বৃদ্ধির বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করা হয়।

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর গুরুত্ব

বৈঠকে দুই দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও মূল্যবোধ আরও সুসংহত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আলোচনায় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে আরও টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর জোর দেওয়া হয়। দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়েও গঠনমূলক আলোচনা হয়।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা

বৈঠকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।

পর্যটন খাতেও সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে আলোচনায় উঠে আসে। দুই দেশের নাগরিকদের পারস্পরিক যাতায়াত সহজ ও যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলে এসব খাতে আরও কার্যকর সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্ব

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করেন মাহদী আমিন ও দীনেশ ত্রিবেদী।

দুই দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং সম্ভাবনাময় খাতে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় হয়।

বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের মাধ্যমে উভয় দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে সহযোগিতার সম্ভাবনা

তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ নতুন নতুন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয়পক্ষ মত দেন।

প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও জ্ঞানভিত্তিক খাতে দুই দেশের সক্ষমতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে বলে আলোচনায় গুরুত্ব পায়। এসব ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

বৈঠকে ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তাও উপস্থিত

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধেও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ছাড়াও ভবিষ্যতে সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।

সামগ্রিকভাবে, বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ককে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা, ন্যায়বিচার, সংলাপ ও সহযোগিতার ভিত্তিতে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার জন্য ভারতে অবস্থানরত পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের কোনো ধরনের কর্মকাণ্ডের সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন মাহদী আমিন।