নালিতাবাড়ীতে বন্যহাতির তাণ্ডবে আমন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
- আপডেট সময় : ০৪:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে বন্যহাতির তাণ্ডবে উঠতি আমন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে ১৫ থেকে ২০টি বন্যহাতির একটি পাল উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় নেমে এসে কৃষকদের আমন ধান খেয়ে ও পা দিয়ে মাড়িয়ে নষ্ট করে।
আমন ধানের ক্ষেতে হাতির পাল
উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের আন্দারুপাড়া খলচান্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে বারোমারী মিশন ও আন্দারুপাড়া এলাকার খলচান্দা কোচপল্লী সড়কের পাশে রোপণ করা আমন ধানের ক্ষেতে খাবারের সন্ধানে ঢুকে পড়ে হাতির পাল।
এ সময় হাতির দল কৃষক সমর আলীর ১ একর, ফোরকান আলীর ১ একর ৩০ শতাংশ, উমর আলীর ৫৫ শতাংশ, ইমান আলীর ৫৫ শতাংশ এবং শিষ্টন কোচের ১০ শতাংশ জমির ধান নষ্ট করে। হাতিরা উঠতি আমন ধান খেয়ে ও পা দিয়ে মাড়িয়ে ক্ষেত তছনছ করে দেয়।
ক্ষতিপূরণের দাবি কৃষকদের
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইমান আলী বলেন, সন্ধ্যার পর বন্যহাতির পাল ধানক্ষেতে হানা দিলেও তারা বিষয়টি জানতে পারেননি। ফলে সময়মতো ফসল রক্ষায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। এতে তাদের উঠতি আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা সরকারের কাছে ফসলের ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
তিনি আরও জানান, গত কয়েক দিন ধরে বন্যহাতির পাল নালিতাবাড়ীর বুরুঙ্গা, কালাপানিসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় খাবারের সন্ধানে আমন ধানের ক্ষেতে হানা দিচ্ছে। এতে কৃষকদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।
তদন্তের পর মিলবে সরকারি ক্ষতিপূরণ
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ বন বিভাগের মধুটিলা ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. দেওয়ান আলী বলেন, বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রথমে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। এরপর বন বিভাগের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করলে তদন্ত সাপেক্ষে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
তিনি জানান, এরই মধ্যে বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক কৃষক সরকারি ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন।




















