বাংলাদেশের পেস আক্রমণ নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ‘ভয়’
- আপডেট সময় : ০১:১৬:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪২ বার পড়া হয়েছে
পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আত্মবিশ্বাসী টাইগাররা, বাউন্স ও গতিময় কন্ডিশনে পেসারদের দাপটের আশঙ্কায় প্রোটিয়ারা
দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে সাম্প্রতিক সময়ে টাইগারদের পেস বোলিং আক্রমণের দাপট স্বাগতিকদেরও ভাবাচ্ছে। পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের পেসারদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য বাড়তি সতর্কতার কারণ হয়ে উঠেছে।
আগামী ১৫ নভেম্বর জোহানেসবার্গে প্রথম টেস্ট দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর। ২৩ নভেম্বর সেঞ্চুরিয়নে হবে দ্বিতীয় টেস্ট। এরপর ১, ৪ ও ৭ ডিসেম্বর তিন ম্যাচের ওয়ানডে এবং ১০, ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে দুই দল।
সাম্প্রতিক সাফল্যে পেসারদের বড় অবদান
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের টেস্ট সাফল্যে বড় অবদান রেখেছেন পেসাররা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে বাংলাদেশ। ডারউইনে প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে জয় পেলেও মেকাইয়ে দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারে টাইগাররা।
এর আগে ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ওই সিরিজে ১১ উইকেট নিয়ে আলোচনায় আসেন নাহিদ রানা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হাসান মাহমুদ নেন ৯ উইকেট। ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫৫ রান দিয়ে ৬ উইকেট শিকার করেন তিনি। মেকাই টেস্টে শরিফুল ইসলামও নেন ৭ উইকেট।
নাহিদ রানাকে ঘিরে অপেক্ষা
তবে চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া সফরে ছিলেন না নাহিদ রানা। ১৭ জুলাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাম পাশে গ্রেড-২ চোট পান তিনি। সে সময় ধারণা করা হয়েছিল, সুস্থ হতে ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে সাম্প্রতিক সাফল্য বাংলাদেশের পেস আক্রমণের সামর্থ্যই তুলে ধরেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বাউন্স ও গতিময় কন্ডিশনে সেই পেসাররাই হতে পারেন বাংলাদেশের অন্যতম বড় অস্ত্র।
‘আমাদের পিঠে বড় একটা লক্ষ্যমাত্রা’
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চক্রে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে খেলছে দক্ষিণ আফ্রিকা। শিরোপা ধরে রাখার মিশনে থাকা প্রোটিয়ারা তাই বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা মনে করেন, শীর্ষ দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পেলে প্রতিপক্ষরা নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণে আরও মরিয়া হয়ে ওঠে।
বাভুমার ভাষায়, ‘সহজ কথায় বলতে গেলে, আমাদের পিঠে এখন বড় একটা লক্ষ্যমাত্রা ঝুলছে। যে দলগুলো এখন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে, তারা নাম্বার ওয়ান দলের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্য পরীক্ষা করে দেখতে চাইবে। এই চাপ সামলানোই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে।’
বাংলাদেশের শক্তিশালী পেস আক্রমণকে তাই নিজেদের কন্ডিশনেও হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই দক্ষিণ আফ্রিকার। আসন্ন সিরিজে টাইগারদের পেসাররা কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন, সেটিই হতে পারে দুই দলের লড়াইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।




















