দিনে ৬–৮ বার লোডশেডিং, জেনারেটরহীন হাসপাতালে ভোগান্তি
- আপডেট সময় : ০৪:০২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৫০ বার পড়া হয়েছে
চলমান বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিংয়ে ঢাকার বাইরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। অনেক হাসপাতালে দিনে ৬ থেকে ৮ বার পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। এতে তীব্র গরমে রোগী, স্বজন, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দুর্ভোগ বেড়েছে।
বিশেষ করে জেনারেটরহীন উপজেলা হাসপাতালগুলোতে পরিস্থিতি আরও নাজুক। বিদ্যুৎ চলে গেলে জরুরি বিভাগ, প্যাথলজি ও অপারেশন থিয়েটারের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও কোথাও রোগীদের হাতপাখা ও মুঠোফোনের টর্চের আলো ব্যবহার করতে হচ্ছে।
রাতে বাড়ছে রোগীদের ভোগান্তি
মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দিনে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা জানান, দিনের তুলনায় রাতে ভোগান্তি বেশি। বিদ্যুৎ এলেও ১০ থেকে ২০ মিনিট পর আবার চলে যায়।
হাসপাতালে ভর্তি এক রোগী বলেন, বাসার মতো হাসপাতালেও বিদ্যুৎ সংকট রয়েছে। প্রচণ্ড গরমে এতে অসুস্থ রোগীদের কষ্ট আরও বেড়ে যাচ্ছে।
ছয় বছরের শিশু জান্নাতও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিদ্যুৎ না থাকায় তীব্র গরমে তার জ্বর আরও বেড়ে যাচ্ছে বলে জানান স্বজনরা।
ঢাকার আশপাশের হাসপাতালেও সংকট
সিঙ্গাইরের মতো মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও একই চিত্র দেখা গেছে। ঘনঘন লোডশেডিংয়ে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম।
সিঙ্গাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও সৈয়দ ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, হাসপাতালে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা নেই। জরুরি রোগীদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রোগী ও স্বজনদের দাবি, তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও জেনারেটর নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
প্রতিবেদনটি সংগৃহীত
























