প্রয়াণ দিবসে নানা আয়োজনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে স্মরণ
- আপডেট সময় : ১২:৩৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৩৪ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের জাতীয় কবি, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র তিনি চিরবিদায় নেন। তার মৃত্যুর পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও কবিতা, গান, সাহিত্য ও মানবতাবাদী চেতনার মাধ্যমে তিনি আজও বাঙালির হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন।
সাম্য, দ্রোহ, প্রেম ও মানবতার কবি নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যকে দিয়েছেন এক অনন্য উচ্চতা। তার রচিত কবিতা, গান, উপন্যাস, গল্প ও প্রবন্ধ আজও পাঠক ও শ্রোতাদের অনুপ্রেরণা জোগায়। বিশেষ করে অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে তার সাহসী উচ্চারণ তাকে চিরকালীন প্রেরণার উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
জাতীয় কবির প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, সংগঠন ও নজরুলপ্রেমীদের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নানা কর্মসূচি। আলোচনা সভা, নজরুলসংগীত পরিবেশনা, আবৃত্তি, নাটক ও বিশেষ অনুষ্ঠানমালার মাধ্যমে স্মরণ করা হচ্ছে এই মহান সাহিত্যিককে।
দিবসটি উপলক্ষে নজরুল একাডেমির উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি। বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদসংলগ্ন জাতীয় কবির সমাধিতে ফাতেহা পাঠ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ ছাড়া মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রাখা হয়েছে।
কবি নজরুল ইনস্টিটিউটও আয়োজন করেছে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘মৃত্যুঞ্জয়ী নজরুল’। এতে কবির জীবন, সাহিত্যকর্ম ও সৃষ্টিশীলতা নিয়ে আলোচনা, দোয়া মাহফিল এবং হামদ-নাত পরিবেশনার আয়োজন করা হয়েছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও নজরুল স্মরণে আয়োজন করা হয়েছে নানা অনুষ্ঠান। এসব আয়োজনে বক্তারা বলেন, নজরুল শুধু একজন কবি নন, তিনি ছিলেন অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী কণ্ঠস্বর। তার সৃষ্টি যুগে যুগে মানুষকে মুক্তির পথ দেখাবে।
বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির অঙ্গনে কাজী নজরুল ইসলামের অবদান অনন্য। তার সৃষ্টিশীলতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও মানবপ্রেমের বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তাই তার প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় তাকে স্মরণ করছে পুরো জাতি।






















