কানাডীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের
- আপডেট সময় : ১২:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪০ বার পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে শেষ মুহূর্তের বাণিজ্য আলোচনা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর কানাডীয় পণ্যের ওপর নতুন করে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। শনিবার থেকে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কানাডীয় পণ্যে এই শুল্ক কার্যকর হয়েছে।
ওয়াশিংটন ডিসিতে তিন দিন ধরে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা চললেও চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন প্রশাসন নতুন শুল্ক কার্যকর করে।
এর প্রতিক্রিয়ায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা শুল্কের সমপরিমাণ পাল্টা শুল্ক দেবে কানাডা। তিনি বলেন, আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও কানাডীয়দের স্বার্থ রক্ষায় তা যথেষ্ট ছিল না। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করে কানাডীয় প্রতিনিধিদের দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কার্নি আরও জানান, বাণিজ্যযুদ্ধের প্রভাব থেকে শ্রমিক ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সুরক্ষা দিতে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার আলোচনার ব্যর্থতার জন্য কানাডাকেই দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার একটি সুযোগ কানাডা হাতছাড়া করেছে।
নতুন শুল্ক কানাডার যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা মোট পণ্যের প্রায় ৫ শতাংশকে প্রভাবিত করবে। এর আওতায় রয়েছে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য ও শিল্পপণ্য। তবে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, গাড়িসহ কয়েকটি খাতে আগে থেকেই কার্যকর থাকা পৃথক মার্কিন শুল্কও বহাল রয়েছে।
এর আগে গত ১৮ আগস্ট দুই দেশের আলোচনার সুযোগ দিতে নতুন শুল্ক কার্যকরের সময়সীমা তিন দিন পিছিয়ে দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সমঝোতা না হওয়ায় শনিবার শুল্ক কার্যকর করা হয়।
নতুন এই পদক্ষেপে উত্তর আমেরিকার দুই ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক অংশীদারের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা আরও বাড়ল। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা বাণিজ্য চুক্তি ঘিরে ভবিষ্যৎ আলোচনাও আরও জটিল হয়ে পড়তে পারে।


























