চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৪৯ বার পড়া হয়েছে
“জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ রবিবার সকাল ১০টায় সিভিল সার্জন কার্যালয় চত্বর থেকে র্যালি বের করা হয়। পরে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
চুয়াডাঙ্গা সিজিল সার্জন ডা. হাদী জিয়াউদ্দিন আহমেদ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভার শুরুতেই মাতৃদুগ্ধ ও শিশুখাদ্য বিষয়ক প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সাজিদ হাসান।
এসময় সহযোগী অধ্যাপক ও গাইনী কনসালটেন্ট ডা. আকলিমা খাতুন বলেন, শিশু জন্মের পর প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। অনেকেই দেখা যায় বাচ্চা জন্মের পর বাইরে থেকে দুধ কিনে এনে খাওয়ান। রেজিস্টার ডাক্তারের পরামর্শ বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোনোভাবেই বাহিরের দুধ কিনে খাওয়ানো যাবে না। একটি বাচ্চার পাকস্থলী খুবই ছোট হয় তাই জন্মের পর অল্প অল্প পরিমাণ বুকের দুধ খাওয়ালেই বাচ্চা সুস্থ সবল থাকে।
সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, শিশুর জন্য মায়ের বুকের দুধের কোন বিকল্প নেই। যারা বাচ্চা জন্মের পর বাইরে দুধ কিনে খাওয়ান এতে বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। কোন ফার্মেসিতে শিশুখাদ্য কৌটার দুধ বিক্রি করতে হলে তাদের নির্ধারিত লাইসেন্স প্রয়োজন হয়। কোন রেজিস্টার চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ব্যতীত কৌটার দুধ বিক্রি করা অপরাধ। এ বিষয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা করারও বিধান রয়েছে। তাই এ বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।
এ সময় আরোও বক্তব্য রাখেন, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আওলিয়ার রহমান, সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ফারহানা ওয়াহিদ তানি।
সভায় বক্তারা শিশুদের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মাতৃদুগ্ধের অপরিহার্যতা তুলে ধরেন। জন্মলগ্নেই শিশুকে শালদুগ্ধ প্রদান এবং প্রথম ছয় মাস শুধু মাতৃদুগ্ধ পানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
আলোচনা সভায় আরোও উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার শামীমা ইয়াসমিন, বক্ষব্যাধি চিকিৎসক ডা. ফাতিমা হক, সদর হাসপাতালের প্রধান অফিস সহকারী ফারুক হোসেন প্রমুখ।


























