শেরপুরের বাতকুচি গ্রামে পাহাড়ি ঢলে ভেঙে গেছে সড়ক
- আপডেট সময় : ০৪:১৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
- / ১৫৩১ বার পড়া হয়েছে
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী বাতকুচি গ্রামে পাহাড়ি ঢলে ভেঙে গেছে গুরুত্বপূর্ণ একটি পাকা সড়ক। সড়কটি মেরামত না হওয়ায় কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে কয়েকটি গ্রাম। সেই সাথে একই সড়কের চেল্লাখালি নদীতে একটি ব্রিজের অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন আশপাশের কয়েক গ্রামের অর্ধলক্ষ মানুষ। তবে বরাদ্দ পেলে আগামী অর্থবছরেই মেরামতের আশ্বাস দিয়েছে এলজিডি।
উজানের ভারত থেকে নেমে আসা খরস্রোতা চেল্লাখালী নদী বর্ষা এলেই হয়ে ওঠে ভয়ংকর। পাহাড়ি ঢলের তোড়ে কয়েক বছর আগে ভেঙে যায় বাতকুচি গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ পাকা সড়ক ও পুরোনো কালভার্ট। এরপর আর সংস্কার না হওয়ায় গ্রামটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় পার্শ্ববর্তী সব গ্রামের।
হাট-বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা শহরে যেতে এখন চার থেকে পাঁচ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরতে হচ্ছে স্থানীয়দের। এতে সময় ও খরচ—দুটোই বেড়েছে কয়েকগুণ। পরিবহন ব্যয় বাড়ায় কৃষকরা ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য সহজে বাজারে নিতে পারছেন না। আবার মিলছে না কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য। অন্যদিকে বন্য হাতির আক্রমণেও নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারেন না স্থানীয়রা। সন্ধ্যার পর চলাচল হয়ে ওঠে আরো ঝুঁকিপূর্ণ।
সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। নদীতে পানি বাড়লেই শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়মিত স্কুলে যেতে পারে না।
এদিকে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বলছে, আগামী অর্থবছরেই ভেঙে যাওয়া স্থানে নির্মাণ করা হবে একটি বক্স কালভার্ট। পাশাপাশি চেল্লাখালী নদীর ওপর সেতু নির্মাণের নকশা সম্পন্ন হলও সরকারি বরাদ্দের অভাবে শুরু হচ্ছে না নির্মাণকাজ।
দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে দ্রুত কালভার্ট নির্মাণ এবং চেল্লাখালী নদীর ওপর সেতু বাস্তবায়নের দাবি স্থানীয়দের। এতে দুর্ভোগ লাঘব হবে এলাকার অন্তত অর্ধলক্ষ মানুষের।























