যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে সুখবর
- আপডেট সময় : ১২:০১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার সীমিত করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেওয়া সর্বশেষ উদ্যোগও আদালতের বাধার মুখে পড়েছে। দেশটির মেরিল্যান্ডের ফেডারেল জেলা আদালত নতুন নির্বাহী আদেশটি কার্যকর করার ওপর প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিচারক ডেবোরাহ বোর্ডম্যান ট্রাম্পের নতুন আদেশের বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা দেন। তিনি মনে করেন, আদেশটি সংবিধানবিরোধী হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি। এর ফলে মামলার আওতাভুক্ত শিশুদের নাগরিকত্ব অস্বীকার বা তা নিয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না সংশ্লিষ্ট ফেডারেল সংস্থাগুলো।
গত ৬ আগস্ট নতুন নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প। এতে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া কিছু শিশুকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপের চেষ্টা করা হয়। বিশেষ করে তথাকথিত ‘বার্থ ট্যুরিজম’ ঠেকানোর বিষয়টি এতে গুরুত্ব পায়। অর্থাৎ, সন্তানকে মার্কিন নাগরিকত্ব পাইয়ে দিতে কেউ পরিকল্পিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দিলে তার নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ তৈরি করতে চেয়েছিল প্রশাসন।
এ ছাড়া বিদেশি সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য বাণিজ্যিক লেনদেনে জড়িত ব্যক্তি কিংবা ‘শত্রু বিদেশি’ হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের সন্তানদের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আরোপের কথা বলা হয়েছিল।
তবে বিচারক বোর্ডম্যান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এরই মধ্যে জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের সাংবিধানিক সুরক্ষা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছে। জুনে ‘বারবারা বনাম ট্রাম্প’ মামলায় ৬-৩ ভোটের রায়ে আদালত জানায়, যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া সংশ্লিষ্ট শ্রেণির শিশুরা জন্মের সময়ই নাগরিকত্ব লাভ করে।
মার্কিন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী অনুযায়ী, কিছু নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিরা জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পান। কূটনীতিকদের সন্তানসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে।
এর আগে ট্রাম্পের একই ধরনের উদ্যোগও আদালতের বাধার মুখে পড়েছিল। সর্বশেষ রায়ের মাধ্যমে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার প্রচেষ্টায় ট্রাম্প প্রশাসন আবারও বড় ধরনের আইনি ধাক্কা খেল।





















