‘বিপিএল বাংলাদেশ ক্রিকেটকে কী দিয়েছে’, প্রশ্ন বিসিবি পরিচালকের
- আপডেট সময় : ১২:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫২৮ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজন নিয়ে নতুন করে ভাবছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। চলতি বছর টুর্নামেন্টটি আয়োজন না করার ইঙ্গিত দিয়েছে বোর্ড। এতে ঘরোয়া ক্রিকেটের ওপর নির্ভরশীল ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিসিবির নতুন সভাপতি তামিম ইকবাল এর আগে জানিয়েছিলেন, আগের মতো তাড়াহুড়ো করে বিপিএল আয়োজন না করে একটি পরিকল্পিত ও কার্যকর কাঠামোর মাধ্যমে নতুনভাবে শুরু করতে চান তারা।
বর্তমানে জাতীয় দলের বাইরে থাকা বেশিরভাগ ক্রিকেটারের আয়ের বড় উৎস বিপিএল ও ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)। তবে ডিপিএলেও পারিশ্রমিক কমে যাওয়ায় অনেক ক্রিকেটার আর্থিক চাপে রয়েছেন।
এমন পরিস্থিতিতে বিপিএলের বর্তমান কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিসিবি পরিচালক সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর। তিনি বলেন, আর্থিক লোকসান, নানা বিতর্ক ও সমস্যার পরও আগের ফরম্যাটে বিপিএল আয়োজনের যৌক্তিকতা নিয়ে ভাবতে হবে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, “গত কয়েক বছরে বিপিএল আসলে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে কী দিয়েছে?”
বিসিবি পরিচালক আরও বলেন, ক্রিকেটারদের ম্যাচ খেলার সুযোগ বাড়ানো এবং আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে কয়েকটি নতুন টুর্নামেন্ট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাই পুরোনো কাঠামোয় বিপিএল চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা দরকার।
তার মতে, শুধু একটি বছর কোনোভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজন করার চেয়ে সময় নিয়ে বিপিএলকে একটি টেকসই ও আধুনিক কাঠামোর ওপর দাঁড় করানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে ত্রুটিমুক্ত ও সুসংগঠিত বিপিএল আয়োজন করা হলে তা সবার সমর্থন পাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে বিপিএল না হলে ক্রিকেটারদের জন্য বিকল্প টুর্নামেন্ট আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন।
তিনি বলেন, বিপিএলের মতো না হলেও এমন কোনো আয়োজন করা যেতে পারে, যেখানে ক্রিকেটাররা খেলার সুযোগ পাবেন এবং পারিশ্রমিকও পাবেন।
মোহাম্মদ মিঠুন আরও বলেন, প্রতি বছর শুধু আয়োজন করলেই হবে না, বিপিএলকে সঠিক কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে। একই সঙ্গে ক্রিকেটারদের আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।
তিনি বলেন, “ভঙ্গুরভাবে প্রতিবছর বিতর্কের মধ্যে টুর্নামেন্ট আয়োজন করা ঠিক নয়। একটি কার্যকর ও স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।”




















