প্রধানমন্ত্রী জুলাই আন্দোলনের ফসল জনগণের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন : ড.খন্দকার মারুফ
- আপডেট সময় : ০৪:২৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ১৫৬৩ বার পড়া হয়েছে
বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার পতন আন্দোলনের অন্যতম রূপকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে সরকার জুলাই আন্দোলনের ফসল জনগণের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন। একটি স্বনির্ভর,সমৃদ্ধ ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে সরকার কাজ করছে। বিএনপি ও ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে যাওয়ায় জনগণ হাফ ছেড়ে বেঁচেছে। দেশ গড়ার অবারিত সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণের প্রধান দাবি ছিলো- স্বৈরাচার হাসিনার দ্রুত পদত্যাগ। কিন্তু মহান আল্লাহ তাকে পদত্যাগ নয়, দেশত্যাগে বাধ্য করেছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে থেকেও দেশকে অস্থিতিশীল করতে গভীর ষড়যন্ত্র করছে। শেখ হাসিনাকে দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করতে তিনি(মারুফ) সরকারের কাছে দাবি করেন।
তিনি আজ বুধবার (৫ আগষ্ট) দাউদকান্দি উপজেলা সদরে আলোচনা সভা এবং জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইসব কথা বলেন। দাউদকান্দি উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘৫আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে- ‘জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
এর আগে প্রধান অতিথি ড.খন্দকার মারুফ হোসেন দাউদকান্দিতে বিশাল বর্ণাঢ্য র্যালীতে নেতৃত্ব দেন।
বিএনপি নেতা খন্দকার মারুফ আরও বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই যোদ্ধাদের মূল্যায়ন করেনি। প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের গেজেটে অন্তর্ভূক্ত করার জন্য বর্তমান সরকারের কাছে জোর দাবি করছি। সরকার জুলাই আন্দোলনের জনআকাঙ্খা পূরণে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। সরকারকে সহযোগিতা দিতে সংসদের ভেতর ও বাইরে সবাইকে আলোচনা করতে হবে। তা না করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরী করতে বিরোধী নেতৃবৃন্দ মুখরোচক বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে নিয়ে কাজ করে রাষ্ট্রকে বিশ্বে সন্মানজনক অবস্থানে পৌঁছাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
বিএনপি নেতা ড.খন্দকার মারুফ বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৬/১৭ বছরের জঞ্জাল সরিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি ১৮ বছর পরে দেশে ফিরে রাষ্ট্র কাঠামো গঠন করার কথা বলেছেন, ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড,হেলথ কার্ড বিতরণ করছেন। ইমাম,মুয়াজ্জিন,পুরোহিত ও পাদ্রীদের ভাতা দিচ্ছেন। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত ঐতিহাসিক ‘খাল-নদী খনন কর্মসূচি’ চালু এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছেন।
বিএনপি নেতা ড.খন্দকার মারুফ দাউদকান্দিতে সংঘটিত হত্যা মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানান।
তিনি বলেন, বিএনপি যখনই সরকারে থাকে, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও জনগণের জানমাল নিরাপদ থাকে। দেশ ও জাতির স্বার্থরক্ষায় লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে উঠে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং রাজনৈতিক নেতাদের মানুষের জন্য নিবেদিত প্রাণকর্মী হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের জন্য ড. খন্দকার মারুফ উদাত্ত আহ্বান জানান।
দাউদকান্দির ইউএনও নাছরিন আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, এসি(ল্যান্ড) নাহিদ আহমেদ, ওসি সাজেদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক আবুল হাশেম, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এম.এ লতিফ ভূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমেদ, পৌর বিএনপির আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পিটার চৌধুরী, বিএনপি নেতা কাউসার আলম সরকার, কামাল হোসেন, শরীফ চৌধুরী, রোমান খন্দকার এবং শহীদ জুলাই যোদ্ধা পরিবারের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন প্রমুখ।





















