জমে উঠেছে নওগাঁ জেলার পশুর হাটগুলো
- আপডেট সময় : ১২:১৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
- / ১৫৫১ বার পড়া হয়েছে
কোরবানির ঈদ সামনে রেখে জমে উঠেছে নওগাঁ জেলার পশুর হাটগুলো। সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন হাটে গরু ছাগল নিয়ে আসেন খামারিরা। আবার, প্রতি বছর জয়পুরহাটে কোরবানীতে পশুহাটগুলোতে ভারতীয় গরুর বেশ উপস্থিতি থাকলেও, এবারের চিত্র ভিন্ন। এ বারে হঠাৎ করেই দেশী গরুর চাহিদা বেশি। ৬০/৬৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সাড়ে ৩ লাখ টাকায় চলছে গরু বেচাকেনা।
সরগরম হয়ে উঠছে নওগাঁয় কোরবানীর এই পশুর হাট। নানা জাত আর আকারের পশু পাওয়া যাচ্ছে হাটে। ক্রেতা ও বিক্রেতার মাঝে চলে দরকষাকষি। কোরবানি ঈদ সামনে রেখে গোয়াল আর খামারির গরু উঠেছে পশুর হাটে।
দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বেচাকেনাই ব্যস্ত ক্রেতা-বিক্রেতা। ক্রেতাদের পছন্দ দেশি আর মাঝারি আকারের গরু। এজন্য ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা। সমানতালে বেচা কেনা চলছে ছাগলের হাটেও, মিলছে ১০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকার ছাগল।
স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পাশাপাশি কাজ করছেন ইজারাদাররা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, জেলার চাহিদার তুলনায় রয়েছে অতিরিক্ত কোরবানীর পশু।
এদিকে, বিগত বছরগুলোয়.. জয়পুরহাটের কোরবানীর পশুরহাটে ছিল ভারতীয়, নেপালী ও মায়ানমারের গরুর ব্যপক উপস্থিতি। কিন্তু, এবারের চিত্র ভিন্ন। আসন্ন কোরবানীকে সামনে রেখে জেলার মোট ২৭টি পশুহাট জমে উঠছে দেশীয় গরু, ছাগলের বেচাকেনায়। বরাবারের মত এবারও দাম নিয়ে সন্তুষ্টু নন ক্রেতা-বিক্রেতারা
জেলা প্রাণীসম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, জয়পুরহাটে পশু পালন করা হয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজার। কোরবানীতে
জেলায় মোট পশুর চাহিদা রয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার। তাই জেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্যজেলায়ও সরবরাহ করা হবে কোরবানীর পশু।
এ দিকে, কোরবানীর পশুরহাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।























