নওগাঁয় মুকুল দেখে চাষীদের মন জুড়ালেও গাছে নেই আশানুরূপ আম
- আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
- / ১৫৩৮ বার পড়া হয়েছে
একেক বছর একেক সমস্যার মুখে পড়ছেন নওগাঁ জেলার আম চাষীরা। গত কয়েক বছরে নানা কারণে লোকসান গুণতে হয়েছে এ জেলার আম চাষীদের। এবছর মৌসুমের শুরুতে গাছে গাছে মুকুলের সমারোহ দেখে আশায় বুক বাঁধলেও মাঝপথে ব্যাপক হারে গুটি ঝরে গেছে। ফলে এ বছর আমের উৎপাদন কম হয়েছে। তবে চাষীরা বলছেন, পরিমাণে কম হওয়ায় আকারে বড় হয়েছে আম। ফলে সঠিক ওজন আর দাম নিশ্চিত করা গেলে এবার কিছুটা লাভবান হতে পারবেন তারা।
মৌসুমের শুরুতে নওগাঁ জেলার গাছে গাছে মুকুলের সমারাহ দেখে চাষীদের মন জুড়ালেও এখন গাছে নেই আশানুরূপ আম। ফলে চাষীরা কিছুটা হতাশ হলেও আকারে বড় হওয়ায় ন্যায্য দাম আর সঠিক ওজন নির্ধারণসহ পরিবহন সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করা গেলে কিছুটা লাভবান হতে পারবেন বলে মনে করছেন চাষীরা।
করোনার পর অতিরিক্ত খরা, আমের ভরা মৌসুমে ঈদের লম্বা ছুটি, এমন সব সংকটে গত কয়েক বছর লোকসান গুনতে হয়েছে এ জেলার আম চাষী ও ব্যবসায়ীদের। এবার সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বাড়তি পরিচর্যায় ব্যস্ত চাষীরা। তবে শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি, অতিরিক্ত পোকামাকড়ের আক্রমণ আর ভেজাল কীটনাশকের কারণে উৎপাদন খরচ বাড়ছে বলে জানালেন চাষীরা।
আর ক’দিন পরেই নওগাঁয় মিলবে পাকা আম। তবে বাড়তি দাম পাবার আশায় কেউ যাতে আগেই অপরিপক্ক আম পেড়ে বিক্রি শুরু করতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজরদারির পাশাপাশি আম ক্যালেন্ডার প্রকাশ করেছে প্রশাসন। অন্যদিকে, আগের তুলনায় এবার আম বাণিজ্য বেশি হওয়ার সম্ভাবনার পাশাপাশি চাষীরা ভালো দাম পাবেন বলে আশা কৃষি কর্মকর্তাদের।
প্রতিবছরের মতো এবারো মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে আম রপ্তানি বাড়ার আশায় আছেন ব্যবসায়ীরা। জেলায় বর্তমানে ৩০ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে আমবাগান রয়েছে। যা থেকে প্রায় সোয়া ৪ লাখ টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, যার বাজার মূল্য অন্তত ৪ হাজার কোটি টাকা।
























