কৃষিতে নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে বারি উদ্ভাবিত ব্রি জাতের ধান
- আপডেট সময় : ১১:৫৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
- / ১৫৩৯ বার পড়া হয়েছে
কৃষিতে নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট-বারি উদ্ভাবিত পুষ্টি সমৃদ্ধ উচ্চ ফলনশীল ব্রি শতাধিক জাতের ধান বোরো। যা প্রতি শতাংশে প্রায় এক মণ ফলন দিয়ে বড় বিপ্লব ঘটাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিবিদরা। চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় হচ্ছে এই উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানের চাষ। অধিক জনসংখ্যার খাদ্যের চাহিদা মেটানোর জন্য এসব জাত সম্প্রসারণে কাজ করছে কৃষি বিভাগ।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনিস্টিউট-ব্রি উদ্ভাবিত ১০০ পরবর্তী ব্রি ধান ১০১ থেকে ১১৪ জাতের ধানের চাষ হচ্ছে চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায়। কৃষি বিভাগ পার্টনার প্রকল্পের আওতায় ১৫ উপজেলায় এর প্রদর্শনী করেছে। ইতোমধ্যে ব্রি শতাধিক জাতের পরীক্ষামূলক চাষে মিলেছে সাফলতা।
চট্টগ্রামে পার্টনার প্রকল্পের আওতায় ১০৬টি প্রদর্শনী প্লটে এই জাতের ধান হেক্টরে আট থেকে নয় টন পর্যন্ত ফলন দিয়েছে। ব্রি ধান-২৯ এর বিকল্প হিসেবে এই ধানের আবাদ করছেন কৃষকরা। হাইব্রিড ধানের সমান ফলন দিতে সক্ষম, নতুন এই জাতের ধানে প্রচলিত জাতের ধানের মতো রোগবালাই নেই। লম্বা, চিকন প্রিমিয়াম কোয়ালিটির এই ধানের ভাত ঝরঝরে এবং খেতে সুস্বাদু। স্বল্প খরচে ধানের বাম্পার ফলন পেয়ে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।
বোরো মৌসুমে চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ব্রি ১০১, ১০২ জাতের ১০৬টি প্রদর্শনী প্লট করার কথা জানালেন কৃষি কর্মকর্তারা।
নতুন জাতের এসব ধান দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে জানিয়ে কৃষিবিদরা বলছেন, জিংক সমৃদ্ধ জাতের ধান চাষাবাদ সম্প্রসারণে কৃষক অধিক ফলন পেয়ে লাভবান হচ্ছেন পাশাপাশি দেশের সাধারণ মানুষের পুষ্টির ঘাটতিও পূরণ হচ্ছে।
গেল মৌসুমে চট্টগ্রামে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬৯ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে। তবে আবাদ হয়েছে তারও বেশি ৭০ হাজার ৯৩০ হেক্টরে।
























