কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বরিশালের প্রবাসী বাবুল আহমেদের
- আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫২৮ বার পড়া হয়েছে
কাতারের লুসাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. বাবুল আহমেদ নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে লুসাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বাবুল আহমেদ ভোলা জেলার তজমুদ্দিন উপজেলার বাসিন্দা।
জানা গেছে, লুসাইল থেকে ফেরার পথে বাবুল আহমেদ যে গাড়িতে ছিলেন, সেটিতে হঠাৎ সমস্যা দেখা দেয়। পরে তিনি গাড়িটি রাস্তার পাশে থামিয়ে সমস্যাটি পরীক্ষা করছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় বাবুল আহমেদকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি একজন মিশরীয় নাগরিক চালাচ্ছিলেন। তবে দুর্ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও দায় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
প্রায় ২০ বছর ধরে কাতারে বসবাস
নিহত বাবুল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে কাতারে বসবাস করছিলেন। বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা মাহবুব আলম জানিয়েছেন, তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে কাতারে প্রবাসজীবন কাটাচ্ছিলেন।
দীর্ঘ সময় কাতারে থাকার কারণে দেশটিতে তার পরিচিতজন ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রবাসীদের মধ্যে শোকের পরিবেশ তৈরি হয়।
হামাদ হাসপাতালের মর্গে মরদেহ
দুর্ঘটনার পর বাবুল আহমেদের মরদেহ কাতারের হামাদ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।
প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর কাতার থেকে মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গেছে। পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা তার মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার অপেক্ষায় রয়েছেন।
দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেলেন
বাবুল আহমেদ দুই ছেলে ও এক মেয়ের বাবা। তার বড় ছেলে বর্তমানে কাতারেই প্রবাসী হিসেবে বসবাস করছেন। বাবার আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা শোকাহত।
প্রায় দুই দশক প্রবাসে কাটানোর পর সড়ক দুর্ঘটনায় বাবুল আহমেদের মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একই সঙ্গে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যেও তার মৃত্যু নিয়ে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।
স্বজন ও পরিচিতরা জানান, কর্মজীবনের পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যু পরিবার ও পরিচিতদের জন্য গভীর বেদনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
























