১২:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদন চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত

নিজস্ব প্র্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৩০ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের বদলির আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানিয়েছে, বদলির জন্য একজন শিক্ষক পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন। সংশোধিত বদলি নীতিমালা অনুযায়ী, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে বদলির আদেশ জারি করা হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকরা প্রথমে নিজ জেলার প্রতিষ্ঠানে বদলির আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলার শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে। এছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা তারা যে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন, সেই জেলার প্রতিষ্ঠানেও বদলির আবেদন করা যাবে।

মাউশি জানিয়েছে, বদলি সফটওয়্যারে প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য ভুল হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও আবেদনকারী শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

বদলির আবেদনের জন্য শিক্ষকের চাকরির মেয়াদ কমপক্ষে দুই বছর পূর্ণ হতে হবে। নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর অন্তত দুই বছর দায়িত্ব পালন না করলে পরবর্তী বদলির আবেদন করা যাবে না।

এ ছাড়া যেসব শিক্ষকের এমপিও বন্ধ রয়েছে, যারা সাময়িক বরখাস্ত আছেন অথবা যাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান রয়েছে, তারা বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে করা আবেদনও বাতিল হতে পারে।

বদলির আদেশ পাওয়ার পর ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে শিক্ষককে অবমুক্ত করতে হবে। অবমুক্ত হওয়ার পর পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।

শিক্ষকদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদন করতে হবে। ২০২৬ সালে প্রণীত সংশোধিত বদলি নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন যাচাই করা হবে।

গত ৬ মে জারি করা নীতিমালায় বেসরকারি স্কুল-কলেজের সহকারী শিক্ষক, প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকদের পাশাপাশি অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রদর্শক ও ট্রেড ইন্সট্রাক্টরদেরও সমপদে বদলির সুযোগ রাখা হয়েছে।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আবেদন চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত

আপডেট সময় : ১১:৫৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের বদলির আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) থেকে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) জানিয়েছে, বদলির জন্য একজন শিক্ষক পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন। সংশোধিত বদলি নীতিমালা অনুযায়ী, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে বদলির আদেশ জারি করা হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকরা প্রথমে নিজ জেলার প্রতিষ্ঠানে বদলির আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলার শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে। এছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা তারা যে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন, সেই জেলার প্রতিষ্ঠানেও বদলির আবেদন করা যাবে।

মাউশি জানিয়েছে, বদলি সফটওয়্যারে প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য ভুল হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান ও আবেদনকারী শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

বদলির আবেদনের জন্য শিক্ষকের চাকরির মেয়াদ কমপক্ষে দুই বছর পূর্ণ হতে হবে। নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর অন্তত দুই বছর দায়িত্ব পালন না করলে পরবর্তী বদলির আবেদন করা যাবে না।

এ ছাড়া যেসব শিক্ষকের এমপিও বন্ধ রয়েছে, যারা সাময়িক বরখাস্ত আছেন অথবা যাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান রয়েছে, তারা বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে করা আবেদনও বাতিল হতে পারে।

বদলির আদেশ পাওয়ার পর ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে শিক্ষককে অবমুক্ত করতে হবে। অবমুক্ত হওয়ার পর পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।

শিক্ষকদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আবেদন করতে হবে। ২০২৬ সালে প্রণীত সংশোধিত বদলি নীতিমালা অনুযায়ী আবেদন যাচাই করা হবে।

গত ৬ মে জারি করা নীতিমালায় বেসরকারি স্কুল-কলেজের সহকারী শিক্ষক, প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকদের পাশাপাশি অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রদর্শক ও ট্রেড ইন্সট্রাক্টরদেরও সমপদে বদলির সুযোগ রাখা হয়েছে।