ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে বাড়ছে আত্মহত্যা
- আপডেট সময় : ১২:৩৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৫২৩ বার পড়া হয়েছে
ইসরায়েলি সেনাসদস্যদের মধ্যে আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে। দেশটির দৈনিক হারেৎজ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে ইসরায়েলি সেনা ও সাবেক সেনাসদস্যদের মধ্যে ২৫ জন আত্মহত্যা করেছেন।
সাত মাসে আত্মহত্যা ২৫ সেনাসদস্যের
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত আত্মহত্যা করা ২৫ জনের মধ্যে ১৬ জন কর্মরত সেনাসদস্য। বাকি ৯ জন ছিলেন সদ্য অবসরপ্রাপ্ত।
হারেৎজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আত্মহত্যা করা ৯ অবসরপ্রাপ্ত সেনার সবাই গাজায় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন।
এদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল সেভেনের পৃথক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরেও অন্তত তিন ইসরায়েলি সেনা আত্মহত্যা করেছেন। সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে ১৪ সেপ্টেম্বর। ওই দিন মধ্য ইসরায়েলের একটি এলাকার বাড়ি থেকে এক সেনাসদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সামরিক পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত সেনা বাড়ছে
গাজা যুদ্ধের মধ্যে ইসরায়েলি সেনাদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পুনর্বাসন বিভাগের একটি সূত্র জানায়, দুই বছরে মানসিক সমস্যায় চিকিৎসা নেওয়া সেনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
সূত্রের তথ্যমতে, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মানসিক সমস্যার কারণে চিকিৎসাধীন সেনার সংখ্যা ছিল প্রায় ১১ হাজার। দুই বছর পর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এ সংখ্যা বেড়ে ৩১ হাজারে পৌঁছায়।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আশঙ্কা, দেশটির প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বাহিনীর প্রায় ৩৮ শতাংশ সদস্য কোনো না কোনো ধরনের মানসিক সমস্যায় ভুগছেন।
গাজা যুদ্ধের পর লেবাননেও অভিযান
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পরদিন ৮ অক্টোবর গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে আইডিএফ। দীর্ঘ এই যুদ্ধে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি নিহত ও আহত হয়েছেন।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও গাজা থেকে পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করেনি ইসরায়েল।
এরপর ২০২৬ সালের মার্চ থেকে লেবাননেও সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই অভিযানও অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

























