০৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

সুইডেন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:২২:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৫৭ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুইডেনকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে দেশটির সঙ্গে কারিগরি শিক্ষা, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লিনাস রাগনার উইকসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ প্রত্যাশা জানান। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশে সুইডিশ দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা, অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কারিগরি শিক্ষার প্রসার, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নের মাধ্যমে দক্ষ ও বিশ্বমানের মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সুইডেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কেয়ারগিভারসহ দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে। তাই বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশিক্ষণ জোরদার এবং দক্ষ কর্মী তৈরিতে সুইডেনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বৈঠকে সুইডিশ রাষ্ট্রদূত জানান, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের সঙ্গেই সুইডেনের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা কৌশল রয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমেই গভীর হচ্ছে এবং তৈরি পোশাক ও স্বাস্থ্যসেবাসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বাড়ছে। বর্তমানে সুইডেনে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি বসবাস করছেন, যাদের একটি বড় অংশ শিক্ষার্থী।

অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, মানবপাচারকারী চক্রের প্রলোভনে পড়ে কিছু বাংলাদেশি অনিয়মিত অভিবাসনের শিকার হচ্ছেন। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মানবপাচার প্রতিরোধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সঙ্গে সমন্বয় করে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। সুইডেন রোহিঙ্গা ডোনার গ্রুপের কো-চেয়ার হওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ সংকটের গুরুত্ব ধরে রাখতে দেশটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান। জবাবে সুইডিশ রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের শিক্ষা ও নিরাপত্তায় সুইডেনের আগ্রহের কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে সম্মানজনক, নিরাপদ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

সুইডেন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:২২:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

সুইডেনকে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে দেশটির সঙ্গে কারিগরি শিক্ষা, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস লিনাস রাগনার উইকসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ প্রত্যাশা জানান। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশে সুইডিশ দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা, অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কারিগরি শিক্ষার প্রসার, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নের মাধ্যমে দক্ষ ও বিশ্বমানের মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সুইডেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কেয়ারগিভারসহ দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বাড়ছে। তাই বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রশিক্ষণ জোরদার এবং দক্ষ কর্মী তৈরিতে সুইডেনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বৈঠকে সুইডিশ রাষ্ট্রদূত জানান, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের সঙ্গেই সুইডেনের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা কৌশল রয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমেই গভীর হচ্ছে এবং তৈরি পোশাক ও স্বাস্থ্যসেবাসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বাড়ছে। বর্তমানে সুইডেনে প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশি বসবাস করছেন, যাদের একটি বড় অংশ শিক্ষার্থী।

অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, মানবপাচারকারী চক্রের প্রলোভনে পড়ে কিছু বাংলাদেশি অনিয়মিত অভিবাসনের শিকার হচ্ছেন। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মানবপাচার প্রতিরোধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সঙ্গে সমন্বয় করে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট শুধু বাংলাদেশের নয়, পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। সুইডেন রোহিঙ্গা ডোনার গ্রুপের কো-চেয়ার হওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ সংকটের গুরুত্ব ধরে রাখতে দেশটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান। জবাবে সুইডিশ রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি রোহিঙ্গা নারী ও শিশুদের শিক্ষা ও নিরাপত্তায় সুইডেনের আগ্রহের কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে সম্মানজনক, নিরাপদ ও স্থায়ী প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান।