লটারিতে বদলি-পদায়ন ১,৪৩১ জনের, জানালেন গণপূর্তমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৩:০৫:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৫৫৫ বার পড়া হয়েছে
লটারির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৩১ জনকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। নির্বাহী প্রকৌশলীদের বদলি ও পদায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, হয়রানি বন্ধ এবং সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি ও পদায়ন কার্যক্রম নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
বদলি-পদায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ
গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেন, বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে লটারির পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কাউকে হয়রানি করা, বদলি বাণিজ্য এবং অনিয়মের সুযোগ বন্ধ করার পাশাপাশি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে মানবিক দিকও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।
মন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত লটারির মাধ্যমে ১ হাজার ৪৩১ জনকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের বদলি-পদায়নে সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং প্রক্রিয়াটিকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তোলাই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরিত হতে পারে সচিবালয়
এদিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়টি আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উত্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন জাকারিয়া তাহের। সেখানে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত পাওয়া গেলে বর্তমান সরকারের মেয়াদেই স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে পুরো সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই এ কাজ শেষ করে সেখানে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করা।
বর্তমান সচিবালয়ে জায়গার সংকট
বর্তমান সচিবালয়ে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকার বিষয়টি তুলে ধরে গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের কার্যালয় সচিবালয়ের বাইরে অবস্থিত। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা নেই। ফলে সব মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় জায়গা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, সচিবালয়ের বিদ্যমান ভবনগুলোর অবস্থাও খুব একটা ভালো নয়। বর্তমান জায়গায় সচিবালয় রেখে দিলেও প্রতিটি ভবন নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। এসব সমস্যা বিবেচনায় নিয়েই সচিবালয় স্থানান্তরের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
৩০ থেকে ৩২ লাখ বর্গফুট জায়গা নিয়ে পরিকল্পনা
জাকারিয়া তাহের জানান, আগারগাঁওয়ে সচিবালয় নির্মাণের জন্য আনুমানিক ৩০ থেকে ৩২ লাখ বর্গফুট জায়গা নিয়ে কাজ চলছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সব মন্ত্রণালয়ের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা, পার্কিং সুবিধা এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তবে সচিবালয় স্থানান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়নের সময়সূচি নির্ভর করছে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী কার্যক্রমের ওপর।























