মহাসড়কের পাশে ২৫ যাযাবর পরিবারের বেঁচে থাকার লড়াই
- আপডেট সময় : ০১:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
- / ১৫৫৮ বার পড়া হয়েছে
কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কের পাশেই দবির মোল্লা গেট এলাকা। বিস্তীর্ণ খোলা মাঠে সারি সারি টানানো পলিথিন আর কাপড়ের তাঁবু। এটিই এখন ঠিকানা মুন্সিগঞ্জ থেকে আসা ২৫টি যাযাবর পরিবারের। নদী ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে আজ তারা যাযাবর।
ভোরে সূর্য ওঠার সাথে সাথেই শুরু হয় টিকে থাকার লড়াই। মুসলিম ধর্মাবলম্বী এই বেদে সম্প্রদায়ের পুরুষরা ছোটেন গ্রামে গ্রামে হারিয়ে যাওয়া সোনা-রুপা খুঁজে দেওয়াই তাদের কাজ। আর নারীরা দুয়ারে দুয়ারে ঘোরেন বাত-ব্যথা নিরাময় বা ঝাড়ফুঁকের পসরা নিয়ে। দিন শেষে জোটে মাত্র তিন থেকে পাঁচশ টাকা।
মানবেতর এই জীবনে সবচেয়ে বড় আক্ষেপের নাম শিক্ষা। যাযাবর জীবনের অনিশ্চয়তায় এই শিশুদের কাঁধে বইয়ের বদলে উঠছে অভাবের বোঝা। নেই কোনো স্থায়ী স্কুল, নেই কোনো ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা। এক অদ্ভুত অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এই ২৫ পরিবারের আগামী প্রজন্ম।
তাদের দাবি খুব সামান্য একটু স্থায়ী মাথা গোঁজার ঠাঁই। যাযাবর জীবনের অভিশাপ মুছে এই মানুষগুলো চায় সুস্থ আবাসন আর তাদের সন্তানদের জন্য শিক্ষার আলো।
“জীবন যেখানে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার সাথে যুদ্ধ করে, সেখানে শিক্ষা কিংবা উন্নয়ন যেন এক বিলাসিতা। এই ২৫টি পরিবারের দাবি, সরকার যেন তাদের স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করে এই যাযাবর জীবনের অবসান ঘটায়। তারা চায় তাদের সন্তানরা স্কুলে যাক, তারা চায় মানুষ হিসেবে মাথা উঁচু করে বাঁচতে।























