থাইল্যান্ডে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভ
- আপডেট সময় : ১১:৫১:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
- / ১৫৫৭ বার পড়া হয়েছে
থাইল্যান্ডে ইসরায়েলি নাগরিকদের প্রবেশ ও অবস্থানের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের দাবিতে বিক্ষোভ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। দেশটির পর্যটনকেন্দ্র ফুকেতে ইসরায়েলবিরোধী দুটি পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব কর্মসূচি থেকে ইহুদি ধর্মীয় ও সামাজিক সেবা সংগঠন হাবাদ কেন্দ্রগুলো বন্ধ এবং ইসরায়েলি পর্যটকদের ভিসার মেয়াদ কমানোর দাবি জানানো হয়েছে।
গত শনিবার (৩১ অক্টোবর) ফুকেতে এসব বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, থাইল্যান্ডে ইসরায়েলি নাগরিকদের উপস্থিতি স্থানীয় ব্যবসা ও পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভের প্রধান বক্তা ছিলেন থাইল্যান্ডের প্রবীণ গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্ট ও সাবেক ইয়েলো শার্টস আন্দোলনের নেতা সন্ধি লিমথংকুল। তিনি থাইল্যান্ডে ইসরায়েলি পর্যটকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে এককালীন ভিসার মেয়াদ সর্বোচ্চ ১৫ দিন করার দাবি জানিয়েছেন।
ইসরায়েলি পর্যটকদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ
বিক্ষোভে বক্তব্য দেওয়ার সময় সন্ধি লিমথংকুল অভিযোগ করেন, ইসরায়েলি নাগরিকরা থাইল্যান্ডের স্থানীয় ব্যবসার ক্ষতি করছেন। তাঁর দাবি, কিছু ইসরায়েলি এমন ব্যবসা পরিচালনা করছেন, যেগুলোর কার্যক্রম মূলত অন্যান্য ইসরায়েলি নাগরিকদের কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
তিনি আরও দাবি করেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে ইউরোপীয় পর্যটকদের একটি অংশ থাইল্যান্ড ভ্রমণে আগ্রহ হারাচ্ছেন।
থাইল্যান্ড সরকারকেও সমালোচনা করেন সন্ধি। তাঁর অভিযোগ, সরকার ইসরায়েলিদের প্রতি অতিরিক্ত নমনীয়তা দেখাচ্ছে। এ ছাড়া কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন না করেই তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে থাই সরকারের গোপন চুক্তি থাকার ইঙ্গিত দেন।
আগেও দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর ব্যাংককে ইসরায়েলি দূতাবাসের বাইরে বড় ধরনের বিক্ষোভের আয়োজন করেছিলেন সন্ধি লিমথংকুল। ওই কর্মসূচিতে শত শত মানুষ অংশ নেন।
সেই বিক্ষোভে ইহুদিবিদ্বেষী বক্তব্যসংবলিত বিভিন্ন ব্যানার প্রদর্শন করা হয়েছিল। ব্যানারগুলোতে ইহুদিদের দেশ ছাড়ার আহ্বান জানিয়ে বিদ্বেষমূলক স্লোগান লেখা ছিল।
এ সময় বিক্ষোভকারীদের হাতে থাইল্যান্ডের জাতীয় পতাকা দেখা যায়। তাঁরা ‘টেকিং ব্যাক থাইল্যান্ড’ স্লোগানও দেন।
ফুকেতে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে ইসরায়েলি নাগরিকদের থাইল্যান্ডে অবস্থান ও পর্যটন কার্যক্রম নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে ভিসার মেয়াদ কমানো এবং হাবাদ কেন্দ্রগুলো বন্ধের দাবিকে ঘিরে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।



























