হরমুজ প্রণালিতে ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
- আপডেট সময় : ১০:৫৩:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
- / ১৫৩৬ বার পড়া হয়েছে
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কয়েকটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানি বাহিনীর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের জবাবে এ পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন এক কর্মকর্তা। খবর আল-জাজিরার।
সোমবার (২ নভেম্বর) ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এ হামলার ঘটনা ঘটে। দ্বীপটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে অবস্থিত।
ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের জবাবে হামলা
মার্কিন ওই কর্মকর্তা জানান, ইরানি বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছিল। এর জবাবে ইরানের কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় মার্কিন সামরিক বাহিনী।
তবে হামলায় কোন কোন স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি ওই কর্মকর্তা। একই সঙ্গে হামলায় হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কেও তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের শব্দ
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে অবস্থিত কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে বিস্ফোরণের কারণ ও এর সঙ্গে মার্কিন হামলার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
কেশম দ্বীপ হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত হওয়ায় সামরিক ও বাণিজ্যিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের জ্বালানি তেল পরিবহনের একটি বড় অংশ এ প্রণালি দিয়ে চলাচল করে।
বড় যুদ্ধের ইঙ্গিত নয়, বলছে এপি
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এ অভিযানকে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে না। বরং এটি সীমিত পরিসরের সামরিক অভিযান বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের আশপাশে এ ধরনের সামরিক তৎপরতা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।
এদিকে হামলার বিষয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।




















