০৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

জেআইসিতে গুম-নির্যাতন: শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১৫৪৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি)–এ গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ এক দিন পিছিয়েছে। সাক্ষী অসুস্থ থাকায় আগামী বুধবার (১২ আগস্ট) নতুন দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে সময় আবেদন করেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী। তিনি জানান, মঙ্গলবার এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে নির্ধারিত সাক্ষী অসুস্থ থাকায় সময় চাওয়া হয়। পরে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে বুধবার সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

এর আগে গত ২২ জুলাই মামলার ষষ্ঠ সাক্ষী হেফাজতে ইসলামের কর্মী তাজুল ইসলাম সুমনের জেরা শেষ হয়। গত ১৮ জুন ট্রাইব্যুনালে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দিতে তিনি গুম, নির্যাতন এবং দীর্ঘ আট বছর কারাভোগের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে বর্তমানে তিনজন কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন—ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।

এ ছাড়া ১০ আসামি পলাতক রয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন সাবেক ডিজিএফআই মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শেখ হাসিনার সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ ডিজিএফআইয়ের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা।

২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর এ মামলায় ১৩ আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের অভিযোগ আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। পরে ১৮ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জেআইসিতে গুম-নির্যাতন: শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে

আপডেট সময় : ১২:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি)–এ গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ এক দিন পিছিয়েছে। সাক্ষী অসুস্থ থাকায় আগামী বুধবার (১২ আগস্ট) নতুন দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে সময় আবেদন করেন প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী। তিনি জানান, মঙ্গলবার এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে নির্ধারিত সাক্ষী অসুস্থ থাকায় সময় চাওয়া হয়। পরে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে বুধবার সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

এর আগে গত ২২ জুলাই মামলার ষষ্ঠ সাক্ষী হেফাজতে ইসলামের কর্মী তাজুল ইসলাম সুমনের জেরা শেষ হয়। গত ১৮ জুন ট্রাইব্যুনালে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দিতে তিনি গুম, নির্যাতন এবং দীর্ঘ আট বছর কারাভোগের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে বর্তমানে তিনজন কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন—ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।

এ ছাড়া ১০ আসামি পলাতক রয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন সাবেক ডিজিএফআই মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শেখ হাসিনার সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ ডিজিএফআইয়ের কয়েকজন সাবেক কর্মকর্তা।

২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর এ মামলায় ১৩ আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের অভিযোগ আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। পরে ১৮ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।