০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জিয়া থেকে তারেক: ৪৮ বছর পূর্ণ হলো বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৪:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৫৩৩ বার পড়া হয়েছে
এস. এ টিভি সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছর পূর্ণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে দলটির যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় বিএনপি কখনো রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল, আবার কখনো প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করেছে।

প্রতিষ্ঠার পর দলটির নেতৃত্বে ছিলেন জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া এবং বর্তমানে তাদের ছেলে তারেক রহমান। তিন নেতার হাত ধরে বিএনপির রাজনীতিতে এসেছে তিনটি ভিন্ন অধ্যায়।

জিয়াউর রহমানের হাতে বিএনপির জন্ম

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরতার ধারণাকে সামনে রেখে দলটির প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মসূচিতে ছিল ১৯ দফা।

বিভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষকে একটি প্ল্যাটফর্মে এনে অল্প সময়েই বিএনপিকে বড় রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত করেন জিয়াউর রহমান। ১৯৮১ সালের ৩০ মে তার নিহত হওয়ার পর দলটি নেতৃত্বের সংকটে পড়ে। পরে বিএনপির নেতৃত্বে আসেন তার স্ত্রী খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিস্তার

১৯৮২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন খালেদা জিয়া। ১৯৮৪ সালের ১০ মে কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। এরপর দীর্ঘ সময় বিএনপির নেতৃত্ব দেন তিনি।

এরশাদবিরোধী আন্দোলনে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি বড় রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া।

তার নেতৃত্বে বিএনপি একদিকে আন্দোলন করেছে, অন্যদিকে একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে।

তারেক রহমানের উত্থান

বিএনপির মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমান ১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলী উপজেলা ইউনিটে সাধারণ সদস্য হিসেবে বিএনপিতে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হন।

২০০২ সালে তাকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক করা হয়। ২০০৫ সালে তিনি দেশব্যাপী তৃণমূল সম্মেলন আয়োজন করেন।

২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনের সময় গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিনি বিদেশে চিকিৎসার জন্য যান। ২০০৯ সালে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান।

২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ২০২৬ সালে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্তে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। এর মাধ্যমে জিয়া পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের নেতৃত্ব বিএনপির সর্বোচ্চ পর্যায়ে আসে।

নেতৃত্বের তিন পর্ব

বিএনপির ৪৮ বছরের ইতিহাসকে মোটামুটি তিন পর্বে দেখা যায়। জিয়াউর রহমানের সময়ে দলটির প্রতিষ্ঠা ও রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি হয়। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি গণভিত্তি ও নির্বাচনী শক্তি হিসেবে বিস্তার লাভ করে। আর তারেক রহমানের সময়ে দীর্ঘ বিরোধী রাজনীতি শেষে দলটি নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে।

ক্ষমতায় এসে বড় চ্যালেঞ্জ

দীর্ঘদিন বিরোধী রাজনীতিতে থাকার পর ক্ষমতায় এসে বিএনপির সামনে বেশ কিছু নতুন পরীক্ষা তৈরি হয়েছে।

সরকার ও দলের ভারসাম্য: দলীয় রাজনীতি ও সরকারি দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য রাখা গুরুত্বপূর্ণ। দলীয় পরিচয়ে সুবিধা নেওয়া বা সরকারি প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠলে সরকারের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তৃণমূলের গ্রুপিং: পদ-পদবি, মনোনয়ন ও প্রভাবকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে। এসব বিরোধ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।

পুরোনো ও নতুন নেতৃত্বের সমন্বয়: অভিজ্ঞ নেতাদের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের সমন্বয় করা বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে দলের পুরোনো আদর্শ ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাও ধরে রাখতে হবে।

দলীয় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি: নেতাকর্মীদের ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড যেন দলের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সেদিকে নজর দিতে হবে। অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতাও দেখাতে হবে।

রাষ্ট্র পুনর্গঠন: বিএনপির নেতারা বলছেন, অর্থনীতি, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা ও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে সংস্কার প্রয়োজন। এসব প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর ও জনবান্ধব করার পাশাপাশি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাও বড় চ্যালেঞ্জ।

সামনে নতুন পরীক্ষা

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দলটির দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দলটি খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রক্ষমতা ও বিরোধী রাজনীতিতে ছিল।

এখন তৃতীয় প্রজন্মের নেতৃত্বে তারেক রহমানের সামনে নতুন বাস্তবতা। সরকার পরিচালনার পাশাপাশি দলীয় ঐক্য, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, তৃণমূলের প্রত্যাশা এবং জনগণের আস্থা ধরে রাখাই হবে বড় পরীক্ষা।

সবশেষে তারেক রহমানের নেতৃত্বের মূল্যায়ন হবে— তিনি কতটা কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব সরকার পরিচালনা করতে পারেন এবং একই সঙ্গে দলকে কতটা শৃঙ্খলাবদ্ধ রাখতে পারেন।

এস. এ টিভি সমন্ধে

SATV (South Asian Television) is a privately owned ‘infotainment’ television channel in Bangladesh. It is the first ever station in Bangladesh using both HD and 3G Technology. The channel is owned by SA Group, one of the largest transportation and real estate groups of the country. SATV is the first channel to bring ‘Idol’ franchise in Bangladesh through Bangladeshi Idol.

যোগাযোগ

বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২,
বাংলাদেশ।
ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০
ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪
ই-মেইল: info@satv.tv
ওয়েবসাইট: www.satv.tv

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ২০১৩-২০২৩। বাড়ী ৪৭, রাস্তা ১১৬, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ। ফোন: +৮৮ ০২ ৯৮৯৪৫০০, ফ্যাক্স: +৮৮ ০২ ৯৮৯৫২৩৪

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জিয়া থেকে তারেক: ৪৮ বছর পূর্ণ হলো বিএনপির

আপডেট সময় : ১২:৩৪:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছর পূর্ণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে দলটির যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় বিএনপি কখনো রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল, আবার কখনো প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করেছে।

প্রতিষ্ঠার পর দলটির নেতৃত্বে ছিলেন জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া এবং বর্তমানে তাদের ছেলে তারেক রহমান। তিন নেতার হাত ধরে বিএনপির রাজনীতিতে এসেছে তিনটি ভিন্ন অধ্যায়।

জিয়াউর রহমানের হাতে বিএনপির জন্ম

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরতার ধারণাকে সামনে রেখে দলটির প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মসূচিতে ছিল ১৯ দফা।

বিভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষকে একটি প্ল্যাটফর্মে এনে অল্প সময়েই বিএনপিকে বড় রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত করেন জিয়াউর রহমান। ১৯৮১ সালের ৩০ মে তার নিহত হওয়ার পর দলটি নেতৃত্বের সংকটে পড়ে। পরে বিএনপির নেতৃত্বে আসেন তার স্ত্রী খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিস্তার

১৯৮২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন খালেদা জিয়া। ১৯৮৪ সালের ১০ মে কাউন্সিলের মাধ্যমে তিনি দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। এরপর দীর্ঘ সময় বিএনপির নেতৃত্ব দেন তিনি।

এরশাদবিরোধী আন্দোলনে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি বড় রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া।

তার নেতৃত্বে বিএনপি একদিকে আন্দোলন করেছে, অন্যদিকে একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে।

তারেক রহমানের উত্থান

বিএনপির মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমান ১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলী উপজেলা ইউনিটে সাধারণ সদস্য হিসেবে বিএনপিতে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হন।

২০০২ সালে তাকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক করা হয়। ২০০৫ সালে তিনি দেশব্যাপী তৃণমূল সম্মেলন আয়োজন করেন।

২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনের সময় গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিনি বিদেশে চিকিৎসার জন্য যান। ২০০৯ সালে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান।

২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ২০২৬ সালে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্তে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। এর মাধ্যমে জিয়া পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের নেতৃত্ব বিএনপির সর্বোচ্চ পর্যায়ে আসে।

নেতৃত্বের তিন পর্ব

বিএনপির ৪৮ বছরের ইতিহাসকে মোটামুটি তিন পর্বে দেখা যায়। জিয়াউর রহমানের সময়ে দলটির প্রতিষ্ঠা ও রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি হয়। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি গণভিত্তি ও নির্বাচনী শক্তি হিসেবে বিস্তার লাভ করে। আর তারেক রহমানের সময়ে দীর্ঘ বিরোধী রাজনীতি শেষে দলটি নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে।

ক্ষমতায় এসে বড় চ্যালেঞ্জ

দীর্ঘদিন বিরোধী রাজনীতিতে থাকার পর ক্ষমতায় এসে বিএনপির সামনে বেশ কিছু নতুন পরীক্ষা তৈরি হয়েছে।

সরকার ও দলের ভারসাম্য: দলীয় রাজনীতি ও সরকারি দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য রাখা গুরুত্বপূর্ণ। দলীয় পরিচয়ে সুবিধা নেওয়া বা সরকারি প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠলে সরকারের গ্রহণযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তৃণমূলের গ্রুপিং: পদ-পদবি, মনোনয়ন ও প্রভাবকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে। এসব বিরোধ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।

পুরোনো ও নতুন নেতৃত্বের সমন্বয়: অভিজ্ঞ নেতাদের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের সমন্বয় করা বিএনপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে দলের পুরোনো আদর্শ ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাও ধরে রাখতে হবে।

দলীয় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি: নেতাকর্মীদের ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড যেন দলের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সেদিকে নজর দিতে হবে। অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতাও দেখাতে হবে।

রাষ্ট্র পুনর্গঠন: বিএনপির নেতারা বলছেন, অর্থনীতি, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা ও বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে সংস্কার প্রয়োজন। এসব প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর ও জনবান্ধব করার পাশাপাশি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাও বড় চ্যালেঞ্জ।

সামনে নতুন পরীক্ষা

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দলটির দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দলটি খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘ সময় রাষ্ট্রক্ষমতা ও বিরোধী রাজনীতিতে ছিল।

এখন তৃতীয় প্রজন্মের নেতৃত্বে তারেক রহমানের সামনে নতুন বাস্তবতা। সরকার পরিচালনার পাশাপাশি দলীয় ঐক্য, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, তৃণমূলের প্রত্যাশা এবং জনগণের আস্থা ধরে রাখাই হবে বড় পরীক্ষা।

সবশেষে তারেক রহমানের নেতৃত্বের মূল্যায়ন হবে— তিনি কতটা কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব সরকার পরিচালনা করতে পারেন এবং একই সঙ্গে দলকে কতটা শৃঙ্খলাবদ্ধ রাখতে পারেন।